• শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৮
সর্বশেষ :
আশাশুনির বড়দলে রবিউল বাশারের গণসংযোগ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ফ্লাইটকে ভিভিআইপি মুভমেন্ট ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা দেবহাটা মুক্ত দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা হয়রানি মূলক মামলায় বেগম জিয়াকে সাত বছর কারাগারে রাখা হয়েছে- এ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী স্ত্রী হ ত্যা মামলায় স্বামী রাসেল গ্রেপ্তার ডুমুরিয়ায় এক ঘন্টার দুধের হাট বিক্রয় হয় লক্ষ লক্ষ টাকা জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে মধ্যরাতে স্পিড ব্রেকারে রং করল শহর ছাত্রদল ফেসবুক পোস্ট মুছে ফেলাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সরকারি বালক বিদ্যালয়ে সংঘ র্ষ,আহত-৩ পাটকেলঘাটায় সমন্বিত পদ্ধতিতে মৎস্য ঘেরে হাঁস চাষ, এক জমিতে দ্বিগুণ লাভ

ক্যা ন্সার আক্রান্ত স্কুল ছাত্রী সামিয়া বাঁ চ তে চায়

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৭৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০২৪
ক্যান্সার আক্রান্ত স্কুল ছাত্রী সামিয়া বাঁচতে চায়

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ১১ বছরের সামিয়া তাহসিন। মরণব্যাধী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তাকে আটকে রেখেছে হাসপাতালের বিছানায়।সামিয়ার বাবা মো. শুজাউদ্দীন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের মুড়াগাছা গ্রামের এক অতি সাধারণ দরিদ্র কৃষক। তার মা জোহরা খাতুন একজন গৃহিণী। চার ভাইবোনের মধ্যে সামিয়া তৃতীয়। সে স্থানীয় এইচএমএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। অত্যন্ত মেধাবী এই শিক্ষার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিতে খুবই ভাল রেজাল্ট করে এসেছে।

 

বোনের মধ্যে সবার বড়টি এইএসসি পরীক্ষার্থী। তার পরেরজন নবম শ্রেণিতে পড়ছে। সবার ছোট ভাই, সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। মেয়েটির ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবরে সামিয়ার পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।

 

সামিয়ার বাবা মো. শুজাউদ্দীন বলেন, প্রায় ৪ মাস আগে শারীরিক সমস্যা  দেয় সামিয়ার। জ্বর জ্বর লাগে, মাথায় মাঝে মাঝে প্রচ- ব্যাথা হয়। ক’দিন ধরে বাঁ চোখটিও বুঁজে আসছে। জোর করেও তাকিয়ে থাকতে পারে না। দেখতেও পারছে না ঠিকমতো। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে তার ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে। চলতি বছরের জুন মাসের ২০ তারিখে ধানম-ির গ্রিন লাইফ হাসপাতালে টিউমার অপসারণ করা হয়। বায়োপসি রিপোর্টে সামিয়ার ক্যানসার ধরা পড়ে।

 

সামিয়া ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) প্রফেসর ডা. মো. ইউছুফ আলীর অধীনে ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছে। চিকিৎসকরা বলেছেন, ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ১৭টি কেমো ও ২৮টি রেডিও থেরাপি দিতে পারলে শিশুটি সুস্থ হয়ে যাবে। আর সেজন্য প্রয়োজন অন্তত ২০ লক্ষ টাকা।

 

জানা গেছে, ইতোমধ্যে সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রায় ছয় লক্ষ টাকা ব্যয় করেছেন সামিয়ার বাবা। চিকিৎসার বাকি খরচ জোগানো তার একার পক্ষে আর সম্ভব নয়। একদিকে সামিয়ার চিকিৎসা, অন্যদিকে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অন্যান্য সন্তানদের লেখাপড়া আর সংসার খরচ। উভয় দিকেই চরম নাজুক অবস্থা শুজাউদ্দীনের। একদিকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে প্রাণপ্রিয় সন্তান, অপর দিকে বিপুল পরিমাণ টাকার যোগাড়ের অনিশ্চয়তা। কোন দিকে যাবেন এই অসহায় পিতা?

 

এখন প্রাণপ্রিয় সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের দিকে তাকিয়ে আছেন সামিয়ার বাবা ও পরিবার। ২০ লক্ষ টাকা সামিয়াদের মতো পরিবারে অকল্পনীয় হলেও সমাজের সবাই মিলে এগিয়ে এলে এই পরিমাণ অর্থ জোগাড় হওয়া হয়তো অতটা কঠিন হবে না। প্রয়োজন শুধুই সামান্য একটু ভালোবাসা আর অন্তর থেকে সদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে আসা। সামিয়াকে বাঁচাতে তার বাবা শুজাউদ্দীনের বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আপনার সহায়তা পৌঁছে দিতে পারেন। মো. শুজাউদ্দীন, মোবাইল, বিকাশ ও নগদ নম্বর- ০১৭৩৫-১৮৬৭৯০, সঞ্চয়ী ব্যাংক হিসাব নম্বর- ০১০০৫৪০০৬, সোনালী ব্যাংক, মাগুরা বাজার শাখা, তালা, সাতক্ষীরা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com