সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী মৌজার একটি জমি নিয়ে ভুয়া নামজারি সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হতদরিদ্র জামাল হোসেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভেটখালী মৌজার সি.এস ১২৯ খতিয়ানের স্বত্বাধিকারী হরেন্দ্র নাথ চৌধুরী ১৩৫৪ সালে চেক ও আমলনামার মাধ্যমে ২১ দশমিক ২৫ একর জমি কালিঞী গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর নিকট হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে আরশাদ আলী তৎকালীন ২য় মুনসেফী আদালতে ৭০৭/৫৫ নম্বর মামলা দায়ের করে ১২ জুলাই ১৯৫৪ সালে সোল ডিক্রির মাধ্যমে জমির শান্তিপূর্ণ ভোগদখল লাভ করেন।
আরশাদ আলীর মৃত্যুর পর তার চার পুত্র ও চার কন্যা এস.এ ৯৬২ দাগের ডি.পি ১, হাল দাগ ২৬৭২ ও ২৬৭৬ নম্বরের ১১ একর জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু একই এলাকার মৃত রসিদ মহাজনের পুত্র আব্দুল হামিদ, কামরুল ইসলাম ও রেজাউল গং ১/৪০ নম্বর একটি ভুয়া খতিয়ান প্রদর্শন করে ৭২১৯/২৩-২৪ নম্বর নামজারি খতিয়ান সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জামাল হোসেন জানান, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শ্যামনগর এসিল্যান্ড অফিস তদন্ত করে ১/৪০ নম্বর খতিয়ানটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এরপরও ৭২১৯/২৩-২৪ নম্বর নামজারি খতিয়ান বাতিল না হওয়ায় তিনি পুনরায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগ করেন।
অভিযোগের পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারকে নির্দেশ দেন।
অভিযোগকারীর দাবি, সার্ভেয়ার সরেজমিনে গিয়ে মৃত আরশাদ আলীর উত্তরাধিকারীদের জমিতে বসবাস করতে দেখলেও প্রতিবেদন ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা।
" বিবিসি সাতক্ষীরা "
সম্পাদক ও প্রকাশক : আব্দুল মতিন।
মেইল- bbcsatkhira@gmail.com ঠিকানা- পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com