খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ জুন) সকাল ১১ টায় কয়রা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষীমহল পরিকল্পিতভাবে আমার সুনাম ও সামাজিক অবস্থান নষ্টের অপচেষ্টায় নেমেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ কয়েকটি পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার করা হয়। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমাকে সমাজের চোখে ছোট করার চেষ্টা চলছে। এতে আমারসহ আমাদের বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃত ঘটনা হলো, গত ১০ মে, ২০২৬ বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যবৃন্দ, ট্যাগ অফিসারের প্রতিনিধি, ইউপি সচিব, দফাদার, চৌকিদারের উপস্থিতিতে যথাযথ নিয়মানুযায়ী জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় দেলোয়ার ও রাকিব নামের দুইজন ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে চাল কম দেয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে সেই সময় তাদের সামনে চাল মেপে জনপ্রতি ৭৭ কেজি করে বুঝিয়ে দেয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ি জনপ্রতি ৭৭ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা রয়েছে। অথচ তারা নির্দেশনার তথ্য না জেনে ৮০ কেজি চাল দিতে হবে এমন দাবি তোলেন। চাল বিতরণকালে কোন উপকারভোগীর কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি। যেটা আপনারা খোঁজ নিলে জানতে পারবেন। ওইখানে চাল বিতরণকারীদের সাথে তাদের বাকবিতন্ড হয়। পরবর্তীতে পরিষদের সামনের চায়ের দোকানে আমি বসা থাকাবস্থায় দেলোয়ার এবং রাকিব গিয়ে আমার বিনা অনুমতিতে অপ্রস্তুত অবস্থায় বিভিন্ন জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। তারা কোন পত্রিকার সাংবাদিক এটা জানতে চাইলে স্বদুত্তোর দেননি। তারা চাল কম দেয়া ও উপকারভোগীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিতে চাইলে নিউজ করবে বলেও জানায়।
এমতাবস্থায় কথা কাটাকাাটির একপযায়ে তারা চলে যান।
পরবর্তীতে ‘সাংবাদিক ফোরাম নামক’ একটা ফেসবুক পেজে আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেখতে পাই। এছাড়া নামসর্বস্ব কয়েকটি পত্রিকায় প্রতিবেদন দেখতে পাই। যা আমার ভাবর্মূর্তি নষ্ট করে। দেলোয়ার আগামী ইউপি নির্বাচনে অত্র ওয়ার্ডে আমার প্রতিদ্বন্দী হিসেবে নিজেকে জাহির করতে চাই, সেজন্য আমাকে জড়িয়ে নানাসময় হয়রানী করে যাচ্ছে।
দেলোয়ার একজন মোটর সাইকেল চালক ছিলেন। ভাড়ায় চালাতো। কিন্তু ৫ আগষ্টের পরে হঠাৎ ভাড়া চালানো বন্ধ করেন। তার সংসার কিভাবে চলছে এটা প্রশ্ন রইল? জানামতে, তিনি যুব দলের পরিচয় দিয়ে এবং ভুয়া সাংবাদিক সেজে স্থানীয় তরমুজ চাষী, পরিবহন শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে তার জীবিকা নির্বাহ করছেন। স্থানীয় চেয়ারম্যানের ইজারাকৃত বৈধ খালের একাংশ জোরপূর্বক দখল করে নেয়।
জানামতে দেলোয়ার ও রাকিবের মূলধারার কোন পত্রিকা নেই। নাম স্বর্বস্ব ভুইফোড় অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পরিচয়ে মানুষকে জিম্মি করে তারা অপকর্ম করে চলেছে। আপনাদের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানান।
" বিবিসি সাতক্ষীরা "
সম্পাদক ও প্রকাশক : আব্দুল মতিন।
মেইল- bbcsatkhira@gmail.com ঠিকানা- পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com