জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরার দেবহাটার জনজীবন। প্রখর রোদ, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও লোডশেডিং মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থায় পড়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। দুপুর ১১টার পর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাস্তা-ঘাট ও বাজার এলাকায় মানুষের উপস্থিতি অনেকটাই কমে যাচ্ছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরমের তীব্রতা। শ্রমজীবী মানুষেরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। বোরো ধানের মাঠে কাজ করা কৃষিশ্রমিকরা তীব্র গরমে হাপিয়ে উঠছেন। অনেকে তালের শাঁস, শরবত ও ঠান্ডা পানি পান করে তৃষ্ণা নিবারণের চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়রা জানান, দিনভর আগুন ঝরা রোদে চারদিক খাঁ খাঁ করছে। রাতেও তাপমাত্রা কম না থাকায় স্বস্তি মিলছে না সাধারণ মানুষের।
দেবহাটা উপজেলার বৃহত্তম গরুর হাট পারুলিয়ায় গিয়ে দেখা যায়, তীব্র তাপদাহে ক্রেতা-বিক্রেতা ও শ্রমজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। গরমের কারণে অনেকেই দীর্ঘ সময় হাটে অবস্থান করতে পারছেন না।
বিশিষ্ট গরু ও ছাগল ব্যবসায়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রচণ্ড গরমে হাটে মানুষ কম আসছে। ব্যবসা পরিচালনা করতেও কষ্ট হচ্ছে।”
ভ্যানচালক আলাউদ্দিন বলেন, “অতিরিক্ত তাপের কারণে দুই-তিন ঘণ্টার বেশি ভ্যান চালাতে পারছি না। রাস্তা থেকে গরম বাতাস এসে মুখে লাগছে। বেশিক্ষণ বাইরে থাকা যায় না।”
কোঁড়া গ্রামের আব্দুল কাদের বলেন, “এই তীব্র গরমে কাজ করতে ইচ্ছে করে না। মনে হয় শরীরে আগুনের তাপ লাগছে।”
এদিকে অতিরিক্ত গরমে হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্যসচেতন মহল। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
" বিবিসি সাতক্ষীরা "
সম্পাদক ও প্রকাশক : আব্দুল মতিন।
মেইল- bbcsatkhira@gmail.com ঠিকানা- পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com