খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ শাহাপুর-দৌলতপুর (মহসিন রোড) সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এখন কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্ত পানিতে ডুবে ডোবায় পরিণত হয়, আর শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ী ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে চলাচল করছেন। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ছে।
শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা সালাউদ্দিন ও রাশেল গাজী বলেন, “শাহাপুর থেকে মহসিন রোড পর্যন্ত প্রায় পুরো সড়কই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা এখন একপ্রকার শাস্তির মতো। অসুস্থ রোগী কিংবা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমরা দ্রুত স্থায়ী সংস্কার চাই।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, শাহাপুর থেকে দৌলতপুর পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলের উৎপাদিত মাছ, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য প্রতিদিন এ সড়ক দিয়েই খুলনা শহর ও দৌলতপুর মোকামে পরিবহন করা হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই পণ্যবাহী যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় ও সময় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
স্থানীয় ভ্যানচালক রহিম মিয়া বলেন, “রাস্তার কারণে প্রতিদিন গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। আয় করার চেয়ে মেরামতের খরচই বেশি। মনে হয় এই রাস্তাটার দেখভালের কেউ নেই।”
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ শাহাপুর-দৌলতপুর (মহসিন রোড) সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে সেগুলো পানিতে ভরে যায়, আর শুকনো মৌসুমে ধুলাবালিতে দুর্ভোগ বাড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক ব্যবহার করছেন। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহনও।
শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা সালাউদ্দিন ও রাশেল গাজী বলেন, “শাহাপুর থেকে মহসিন রোড পর্যন্ত পুরো সড়কই জরাজীর্ণ। অসুস্থ রোগী বা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেওয়াও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমরা দ্রুত স্থায়ী সংস্কার চাই।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, শাহাপুর থেকে দৌলতপুর পর্যন্ত সড়কের অনেক অংশে কার্পেটিং উঠে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কৃষিপ্রধান এই এলাকার মাছ, সবজি ও অন্যান্য পণ্য প্রতিদিন এ সড়ক দিয়েই খুলনা শহর ও দৌলতপুর মোকামে পরিবহন করা হয়। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্যবাহী যানবাহনও প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে, এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
স্থানীয় ভ্যানচালক রহিম মিয়া বলেন, “রাস্তার কারণে প্রতিদিন গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। আয় করার চেয়ে মেরামতের খরচই বেশি।”
সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ডুমুরিয়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী দারুল হুদা বলেন, “জনদুর্ভোগের বিষয়টি আমরা অবগত আছি। এটি অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি সড়ক। অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল এবং সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।”
তিনি আরও জানান, “সড়কটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে। আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তিতে সড়কটি পুনর্নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।”
অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “জনদুর্ভোগ কমাতে খুব শিগগিরই বড় বড় গর্তে ইট-খোয়া ফেলে অস্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। জরুরি মেইনটেন্যান্স ফান্ডের মাধ্যমে এ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।”
ডুমুরিয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী দারুল হুদা বলেন, “জনদুর্ভোগের বিষয়টি আমরা জানি। অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ও ভারী বর্ষণে সড়কে বড় বড় গর্ত হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সড়কটির ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে পূর্ণাঙ্গ প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং পুনর্নির্মাণের জন্য ডিপিপি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে তিনি বলেন, “শিগগিরই বড় গর্তে ইট-খোয়া ফেলে অস্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।”
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, “শাহাপুর-দৌলতপুর সড়কের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা যে দুর্ভোগে পড়েছেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দ্রুত সংস্কারের জন্য এলজিইডিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, জনস্বার্থে দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।”
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, “শাহাপুর-দৌলতপুর সড়কের দুর্ভোগ আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দ্রুত সংস্কারের জন্য এলজিইডিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
ডুমুরিয়াবাসীর দাবি, বারবার আশ্বাস কিংবা জোড়াতালি দিয়ে মেরামত নয়, বরং খুলনার যোগাযোগ ও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই শাহাপুর-দৌলতপুর সড়কটি দ্রুত ও টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ করতে হবে। ভুক্তভোগী মানুষের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করবে।
স্থানীয়দের দাবি, বারবার আশ্বাস নয়, বরং খুলনার যোগাযোগ ও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত ও টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ করতে হবে। তারা চান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করুক।
" বিবিসি সাতক্ষীরা "
সম্পাদক ও প্রকাশক : আব্দুল মতিন।
মেইল- bbcsatkhira@gmail.com ঠিকানা- পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com