ইউনেস্কোর উদ্যোগে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জকে ‘বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ’ ঘোষনার লক্ষ্যে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পশ্চিম বনবিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের আয়োজনে বুড়িগোয়ালীনিস্থ রেঞ্জ কার্যালয়ে গতকাল সকালে গুরুত্বপুর্ন ঐ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল বনজীবী, নানা শ্রেনী পেশার জনগোষ্ঠীসহ জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, সিপিজি ও ভিডিটি সদস্যরা সেখানে অংশ নেয়। সভায় বনজীবীসহ সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর কাছে ‘বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ’ সংক্রান্ত বিষয়ে নিজস্ব মতামত জানতে চাওয়া হয়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনসালটেশন সভার আলোচনায় অংশ নেন বন সংরক্ষক(খুলনা অঞ্চল) ইমরান আহমেদ, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা(ওয়াইল্ড লাইফ) নির্মল মন্ডল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হাসানুর রহমান, ইউনেস্কোর প্রতিনিধি খালিদ বিন মাসুদ, মোঃ শরীফুজ্জামান, গবেষক ডাঃ প্রিন্স।
বনবিভাগ সুত্র জানায় ইউনেস্কো’র আগ্রহে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন এলাকায় জোনিং সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে তদসংলগ্ন অংশে বসবাসরত জনগোষ্ঠীসহ সুন্দরবনের জীব ও প্রাণ-বৈচিত্র রক্ষার সুযোগ তৈরি হবে। একই সাথে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিতের পাশাপাশি এলাকাবাসীর আর্থ-সামাজিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটবে। ইউনেস্কোর এই প্রকল্পের আওতায় উক্ত উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
বনবিভাগ সুত্র আরও নিশ্চিত করে জানা যায় এই প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনকে কোর, বাফার ও ট্রানজিশন জোনে বিভক্ত করা হবে। তবে সেক্ষেত্রে পুর্বের অভয়ারণ্য আয়াতন বৃদ্ধি পাবে না বলেও নিশ্চিত করা হয়। বরং এই প্রকল্পের আওতায় বনজীবীসহ সুন্দরবনের জীব ও প্রকৃতি রক্ষায় করনীয় সম্পর্কে ধারনা পেতে বনজীবীসহ স্থানীয় সব গোষ্ঠীর সাথে স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন এ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এসময় স্থানীয় মৌয়াল, মৎস্যজীবী, ট্রলার মালিক, কাঁকড়া শিকারীসহ নানা শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত ‘বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ’ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
" বিবিসি সাতক্ষীরা "
সম্পাদক ও প্রকাশক : আব্দুল মতিন।
মেইল- bbcsatkhira@gmail.com ঠিকানা- পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com