সাতক্ষীরার শ্যামনগরের আবাদচন্ডীপুর গ্রামে পাওনা টাকা বা জমি লিখে দেওয়ার নাম করে আপন ভাইয়ের নিকট থেকে ৪লাখ ৯১ হাজার টাকা নিয়ে আত্বস্বাত করার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালত শ্যামনগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরন ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন পত্র সুত্রে জানাযায়, উপজেলার আবাদচন্ডপিুর গ্রামের প্রানকৃষ্ণ মন্ডল ২০০৮ সালে মৃত্যুর পর তার ৩ ছেলে স্বপন কুমার ,বিধুর কুমার ও অধীর কুমার তাদের অপর ভাই তপন কুমারকে জমি লিখে দেওয়ার নামে ৪লাখ ৯১ হাজার টাকা নিয়ে স্ব পরিবারে ভারতে চলে যায় এবং কোলকাতার নিউটাউন থানার প্রমদ গড় এলাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করে সেখানে নাগরিক হয়ে আধার কার্ড তৈরী করে যার নং-৬৬৩৪৫৬৯৮৯০১২। এদিকে তার ভাই তপন কুমার পাওনা টাকা বা জমির দাবীতে ভাইকে বার বার তাগিদ দিতে থাকে। একপর্যায়ে স্বপন কুমার ২০২৫ সালে চোরাই পথে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলে তপন টাকার দাবীতে এলাকার গন্যমান্যদের জানায়।
গন্যমান্যরা শালিশী বৈঠকের মাধ্যমে পাওনা টাকা বা জমির লিখে দেয়ার কথা বললেও সে টাকা বা জমি না দিলে তপন কুমার স্থানীয় বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট টাকার দাবীতে অভিযোগ দায়ের করলে চেয়ারম্যান আলোচনা ও তদন্ত করে তপন কুমার মন্ডলের থেকে ৪লাখ ৯১ হাজার টাকা গ্রহন করেছে মর্মে প্রতিবেদন দেন। এভাবে দিনের পর দিন যেতে থাকে উপায়ন্তর না পেয়ে তপন কুমার টাকার দাবীতে শ্যামনগর আমলী ৫ নং আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শ্যামনগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে চোরাই ভাবে স্বপনকুমার ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে কৌশলে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন বলে বাদী তপন সহ ৫২ গ্রামবাসী স্বাক্ষর করে বুড়িগোয়ালীনি চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করেছেন।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নিকট এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলছে যে সে কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড পেয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বপন কুমার বলেন ,আমি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলাম ও আছি। টাকার বিষয়ে বলেন আমাকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর চেষ্টা চলছে।
" বিবিসি সাতক্ষীরা "
সম্পাদক ও প্রকাশক : আব্দুল মতিন।
মেইল- bbcsatkhira@gmail.com ঠিকানা- পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com