• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৫
সর্বশেষ :
নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সভা ও পুরস্কার বিতরণ তালায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত ম*র*দে*হ উ*দ্ধার শ্যামনগর থানার ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি গাজী মামুনূর রশীদের নেতৃত্বে জিয়ার কবর জিয়ারত ও দোয়া বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শ্যামনগরের ভুরুলিয়ায় মসজিদের পুকুর দখলের অভিযোগে মানববন্ধন সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও জিম্মি জেলে উদ্ধার নগরঘাটায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর ম*র্মা*ন্তিক মৃ*ত্যু ধুলিহরে গাজা ও ইয়াবাসহ আজহারুল ইসলাম জনতার হাতে আটক

আত্মহত্যা প্রতিরোধে আমাদের করণীয়

প্রতিনিধি: / ৮৩৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

লাইফস্টাইল: আত্মহত্যায় মৃত্যুর বেশির ভাগই প্রতিরোধযোগ্য। আত্মহত্যা প্রতিরোধে ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে যেমন সচেতন হতে হবে, তেমনি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকেও যথাযথ ভুমিকা পালন করতে হবে।
ব্যক্তির করণীয়
নিজের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য ব্যক্তির নিজের সচেষ্ট থাকতে হবে। সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, প্রয়োজনমতো বিশ্রাম, রুটিনমাফিক শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন—মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য, ইতিবাচক সম্পর্ক লালন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সুস্থ রীতিনীতির চর্চা করতে হবে। নেতিবাচকতা পরিহার করে চিন্তা-ভাবনায় ও কাজে যৌক্তিকতা ও বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মানসিক সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
পরিবারের ভ‚মিকা
যেকোনো মানুষের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ ও সুস্থতায় পরিবারের ভ‚মিকা প্রধান। সন্তানের কাছে শিক্ষাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা রাখতে হবে মা-বাবার। পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে। সন্তান যেন নিজের যেকোনো অনুভ‚তি, সমস্যা বা বিপদের কথা খোলা মনে মা-বাবার সঙ্গে শেয়ার করতে পারে—এমন পারিবারিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। সন্তান মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত মনে হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। আত্মহত্যাপ্রবণ মানুষ কীটনাশক, ওষুধ, ধারালো অস্ত্রসহ যেসব বস্তু বা জিনিস ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের প্রাণ হরণ করতে, সেগুলো যাতে হাতের নাগালে না থাকে।
প্রতিষ্ঠানের ভ‚মিকা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মানসিকতা বোঝা এবং তাদের সঙ্গে মানসিক বিকাশে সহায়ক আচরণ করায় শিক্ষকদের পারদর্শী করে তুলতে হবে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বা দক্ষ পেশাজীবী থাকতে হবে। অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ পেশাগত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব কর্মীদের মানসিক সুস্বাস্থ্যের উপযোগী কর্ম পরিবেশ তৈরি করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে অযাচিত মানসিক চাপ এবং যৌন হয়রানির মতো ঘটনা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সমাজ-রাষ্ট্রের ভুমিকা
আত্মহত্যা প্রতিরোধ ও মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে সমাজ ও রাষ্ট্রের বড় ভ‚মিকা রয়েছে। খেলাধুলা, সুস্থ বিনোদন চর্চাসহ ব্যক্তির স্বাভাবিক মানসিক বিকাশের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। মাদক নির্মূলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকতে হবে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ঘুমের ওষুধ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে কঠোর হতে হবে। গবেষণা ও জাতীয় পর্যায়ে আত্মহত্যা জরিপের ব্যবস্থা করতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে প্রাথমিক সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক, নার্সদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রসারিত করতে হবে।

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com