• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৬
সর্বশেষ :
শ্যামনগর নুরনগর দাসকাটিতে গ্রাম্য পাইলস ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃ*ত্যু পাঠকের আস্থা হারালে সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে: কে এম রেজাউল করিম শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ: সংঘ*র্ষে আহত ৫ সুন্দরবনকে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ঘোষনার লক্ষ্যে কনসালটেশন সভা দেবহাটার চণ্ডীপুরে বেহাল সড়ক, জনপ্রতিনিধিরা নীরব, নিজেদের উদ্যোগেই সংস্কারে গ্রামবাসী শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার শ্যামনগরে দুস্থ অসহায় ও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ নগরঘাটায় উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইবাদুল ইসলামের মতবিনিময় সভা সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী জাতিকে বিভ্রান্ত করছে: ড. মনিরুজ্জামান

শ্যামনগরে ১২ ই নভেম্বর “উপকূল দিবস ” রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবীতে মানববন্ধন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৬২ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪
শ্যামনগরে মানববন্ধন

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর ২০২৪) ভয়াল ১২ নভেম্বর উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শ্যামনগরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম, সবুজ সংহতি, উপজেলা যুব স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয় কমিটি ও বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১২ নভেম্বরকে বিশ্ব উপকূল দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণার দাবিও তোলা হয়।
বারসিক এর সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির কারণ না হয়েও বাংলাদেশ চরম ঝুঁকি রয়েছে। উপকূলের মানুষের ন্যায্যতার দাবিতে উপকূল দিবস চাই। তিনি আরো বলেন, উপকূলে পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন বোর্ড গঠন, উপকূলের বেড়িবাঁধ উঁচু করণ ও বেড়িবাঁধের ঢালে কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষার ওপর গুরুত্ব অরোপ করতে হবে। বাংলাদেশের ৭০ এর ভয়াল ১২ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়টিকে পৃথিবীর ইতিহাস সবচেয়ে ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতি ঘূর্ণিঝড় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই পর্যন্ত রেকর্ডকৃত ঘূর্ণিঝড় সমূহের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা সবুজ সংহতির আহবায়ক  কুমুদ রঞ্জন, এসএসএসটির শ্যামনগর পৌরসভার সভাপতি গাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক তৃপ্তি বিশ্বাস, কোহিনুর ইসলাম, বিশ্বজিৎ মন্ডল, প্রতিমা চক্রবর্তী, বরসা গাইন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অনেক আগেই এই দিনটির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রয়োজন ছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে একদিনে এত প্রাণহানি কোথাও ঘটেনি।
১৯৭০ এর তৎকালীন সরকার দুর্যোগের সতর্ক বার্তা দেয়নি। প্রাণহানির পর উদ্ধারকাজেও ছিল চরম অবহেলা। এই অবহেলার কারণে কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত উপকূলীয় জেলাগুলোর ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ভোলায় অনেক এলাকা জনমানুষশুন্য হয়ে পড়ে।বহূ মানুষ মারা যায় এই জেলায়।
এর আগে মানববন্ধন’র শুরুতে স্বেচ্ছাসেবীরা ১২ নভেম্বর নিহতদের মাগফিরাত কামনায় ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com