• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯
সর্বশেষ :
পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন: ইসি’র নতুন রোডম্যাপ ও মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রে*ফ*তারি পরোয়ানা প্রথম আলোর সেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত হ‌লেন ইমতিয়াজ, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন তালায় ডেইরি ব্যবসায়ীকে ধারালো অ*স্ত্র দিয়ে কু*পিয়ে জ*খম, ২৭ হাজার টাকা ছি*নতা*ইয়ের অভিযোগ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে স্ট্রেপ্টোকাইনেজ ইনজেকশন প্রদান কর্মী থেকে উদ্যোক্তা: আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহের সফলতার গল্প তালায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগরে বাসের ধাক্কায় ভ্যান চালকের মৃ*ত্যু শ্যামনগরে নক্ষত্রের অভিবাদন ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা ফিংড়ীর বেনীয়াখালীতে পৈতৃক জমি জবর দখলসহ গাছ কর্তনের অভিযোগ

সুন্দরবনে দুই মাস পর কাঁকড়া ধরার পাস পারমিটের অনুমতি পেলেন জেলেরা

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৭৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সুন্দরবনে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাসকে বন গভেষকদের মতে কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এ সময়টায় সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়া আহরণ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ থাকায় সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে শুক্রবার।

 

শনিবার (১ মার্চ) সকাল থেকে বনবিভাগ জেলেদের কাঁকড়া আহরনের মারমিট (অনুমতিপত্র) দেওয়া শুরু করেছে, যার মাধ্যমে তারা আবার সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়া ধরতে পারবেন। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম থাকায় দুই মাস নিষেধাজ্ঞা ছিল।

 

শনিবার থেকে পারমিট (অনুমতিপত্র) দেওয়া হচ্ছে, এবং জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসকে কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। প্রজনন সুরক্ষায় এ সময়টায় সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।

 

এজন্য গত ১ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত কাঁকড়া ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এই সময়ের মধ্যে কোন বনজীবীকে কাঁকড়া ধরার অনুমতি পত্র দেয়া হয়নি। উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়ন সহ সুন্দরবন বেষ্টিত সকল ইউনিয়নের জেলেরা বলেন, সুন্দরবনে দুই মাস কাঁকড়া ধরার পাশ বন্ধ থাকায় ধারদেনা করে চলতে হয়েছে।

 

বনজীবী আব্দুল মাজেদ জানান, উপকূলের জেলে-বাওয়ালীরা মূলত সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। বছরে ১২ মাসের মধ্যে যদি ছয় মাস পাশ বন্ধ থাকে, তাহলে আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকে না। এতে আমরা খুব কষ্টে দিন কাটাই। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের জলভাগে ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। এর মধ্যে শুধু শিলা কাঁকড়া জেলেরা আহরণ করে বিক্রি করেন।

 

এ বিষয়ে বন বিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের এসি এফ মো: মশিউর রহমান বলেন দুই মাস কাকড়ার পাশ বন্ধ থাকার পরে পহেলা মার্চ থেকে পাস পারমিট খুলে দেওয়া হয়েছে, আইন মেনে সুন্দরবনের কাকড়া ধরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com