• বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০১
সর্বশেষ :
না.গঞ্জ সদরে সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছে হাবিবুল ইসলাম হাবিব শ্যামনগরে মুরগির ঘর থেকে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার দেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বৃষ্টিতে পাইকগাছায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ পাটকেলঘাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি পারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টা সামাদ গংয়ের ১৯৮৫ থেকে জীবনের সঙ্গে লড়াই, ভরসা শুধু আল্লাহ তালার খবর এর ৩য় বর্ষে পদার্পণ উৎসব উদযাপন যুগ আসে যুগ যায়, কিন্তু সমাজে কিছু মিরজাফর থেকে যায় : ড. মোঃ মনিরুজ্জামান

সুন্দরবনে দুই মাস পর কাঁকড়া ধরার পাস পারমিটের অনুমতি পেলেন জেলেরা

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৩৬৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

সুন্দরবনে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাসকে বন গভেষকদের মতে কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এ সময়টায় সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়া আহরণ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ থাকায় সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে শুক্রবার।

 

শনিবার (১ মার্চ) সকাল থেকে বনবিভাগ জেলেদের কাঁকড়া আহরনের মারমিট (অনুমতিপত্র) দেওয়া শুরু করেছে, যার মাধ্যমে তারা আবার সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়া ধরতে পারবেন। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম থাকায় দুই মাস নিষেধাজ্ঞা ছিল।

 

শনিবার থেকে পারমিট (অনুমতিপত্র) দেওয়া হচ্ছে, এবং জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসকে কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। প্রজনন সুরক্ষায় এ সময়টায় সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।

 

এজন্য গত ১ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত কাঁকড়া ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এই সময়ের মধ্যে কোন বনজীবীকে কাঁকড়া ধরার অনুমতি পত্র দেয়া হয়নি। উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়ন সহ সুন্দরবন বেষ্টিত সকল ইউনিয়নের জেলেরা বলেন, সুন্দরবনে দুই মাস কাঁকড়া ধরার পাশ বন্ধ থাকায় ধারদেনা করে চলতে হয়েছে।

 

বনজীবী আব্দুল মাজেদ জানান, উপকূলের জেলে-বাওয়ালীরা মূলত সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। বছরে ১২ মাসের মধ্যে যদি ছয় মাস পাশ বন্ধ থাকে, তাহলে আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকে না। এতে আমরা খুব কষ্টে দিন কাটাই। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের জলভাগে ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। এর মধ্যে শুধু শিলা কাঁকড়া জেলেরা আহরণ করে বিক্রি করেন।

 

এ বিষয়ে বন বিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের এসি এফ মো: মশিউর রহমান বলেন দুই মাস কাকড়ার পাশ বন্ধ থাকার পরে পহেলা মার্চ থেকে পাস পারমিট খুলে দেওয়া হয়েছে, আইন মেনে সুন্দরবনের কাকড়া ধরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com