• মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৪
সর্বশেষ :
শিমুলবাড়ীয়ায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় দুইজনকে কু*পি*য়ে জ*খ*ম দেবহাটায় Basic Learner Exploration Exam 2026 অনুষ্ঠিত রাতভর পি*টি*য়ে সকালে উপড়ে ফে*লা হলো দুই চোখ না.গঞ্জে সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ না.গঞ্জ সদর মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা জানা গেল প্রতিদিন কয় ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে! সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়স নির্ধারণ পাইকগাছায় হামের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা : সতর্ক থাকার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের জংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

হাইতি বন্দর থেকে ইউনিসেফের ত্রাণের কন্টেইনার লুট

প্রতিনিধি: / ২৮৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ শনিবার হাইতির প্রধান বন্দর থেকে তাদের একটি ত্রাণবোঝাই কন্টেইনার লুট হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। লুট হওয়া কন্টেইনারে ‘মাতৃত্ব, নবজাতক এবং শিশুদের প্রাণ রক্ষার জন্য জরুরি’ পণ্য ছিল। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ হাইতিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিনের। যার সমাধান না হওয়ায় এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির অর্থনীতিতে। খাদ্যাভাব চরমে পৌঁছেছে, দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট। ইউনিসেফ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, দেশটিতে রেকর্ড পরিমাণ মানুষ অনাহারে ভুগছে এবং রাজধানী পোর্ট- ঔ-প্রিন্স এর বিভিন্ন অংশে প্রাণঘাতী অপুষ্টি দেখা দিয়েছে। দেশটির অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি এ সপ্তাহে বলেছেন, একটি অন্তর্র্বতীকালীন কাউন্সিল চালু হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। সশস্ত্র বিভিন্ন গ্যাং বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন অংশের নিয়ন্ত্রণ করছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা থেকে বলা হয়, এইসব গ্যাং গণহারে হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণ করছে। ইউনিসেফ জানায়, পোর্ট-ঔ-প্রিন্স বন্দরে তাদের ত্রাণের ১৭টি কন্টেইনার এসেছে। সেগুলো থেকে একটি লুট হয়েছে। ইউনিসেফের হাইতি প্রতিনিধি ব্রæনো মায়েস এক বিবৃতিতে বলেছেন, “শিশুদের জীবন রক্ষার জন্য জরুরি ত্রাণ সরবরাহ লুটপাট অবশ্যই দ্রæত বন্ধ করতে হবে। “এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে লুটের ঘটনা ঘটছে যখন শিশুদের ওইসব জিনিসের সবচেয়ে বেশি দরকার।” এদিকে,নিরাপত্তা জনিত কারণে রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতাল নিজেদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। নগরীতে বর্তমানে মাত্র দুইটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা আছে বলেও জানিয়েছে ইউনিসেফ। বিদ্যুৎ, জ্বলানি এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে হাইতি জুড়ে কমবেশি সব হাসপাতালই নিজেদের কার্যক্রম ঠিকমত চালাতে পারছে না। ১০টির মধ্যে ছয়টি চিকিৎসাকেন্দ্রই তাই বন্ধ হতে বসেছে বলেও জানিয়েছে ইউনিসেফ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com