• শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৯
সর্বশেষ :
দেবহাটায় শীতার্ত অসহায়দেরকে ইউএনওর কম্বল বিতরন তালায় শিক্ষকদের মতবিনিময় সভায় উন্নয়ন অঙ্গীকার হাবিবুল ইসলাম হাবিবের ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি ডুমুরিয়ার হাটৈ যা নেবেন পঞ্চাশ একশ দেবহাটা আর.কে.বাপ্পার মায়ের চেহলাম, কবর জিয়ারত ও দোয়ানুষ্টান অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ায় ক্রিয়েশন কিন্ডার গার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভয় দেখিয়ে নয়, উদারতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে বলেছেন তারেক রহমান: জুয়েল খুলনায় অভ্যন্তরীন বাস্তুচ্যুত অভিবাসী জনগোষ্ঠীদের সাথে লিংকেজ মিটিং আশাশুনি সেনাবাহিনীর সাহসী অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ডালিম আটক দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পার মাতার ইন্তেকাল, শোক প্রকাশ

আশাশুনির কালকীর স্লুইস গেটে পলি মাটি জমে থাকায় ১০ হাজার বিঘা জমির ফসল মাইর

বি এম আলাউদ্দিন, আশাশুনি প্রতিনিধি / ১১৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

আশাশুনির কালকীর স্লুইস গেটে পলি মাটি জমে থাকায় প্রায় তিন বছর ধরে ১০ হাজার বিঘা জমির ফসল মাইর। তিন বছরে একাধিকবার মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করার পরেও দেখার কেউ হইনি এমনটাই অভিযোগ দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের।

 

জরুরী ভাবে স্লুইস গেটের সামনে ও ভিতর থেকে পলি মাটি অপসারন না করা হলে বড়দল ইউনিয়নের উত্তর বড়দলের আংশিক, মধ্যম বড়দলের সম্পুর্ন, পাঁচপোতা, দক্ষিণ বাইনতলা, মধ্যম বাইনতালা, মাদিয়া, হিতালবুনিয়া, লক্ষীখোলা ও মুরারিকাটির আংশিক এবং খাজরা ইউনিয়নের ফটিকখালী, খালিয়া, রাউতাড়া, পিরোজপুর, দূর্গাপুর, গজুয়াকাটি, চেউটিয়া গ্রাম ও বিলে হাজার হাজার বিঘা ধানের জমি ও মৎস্য ঘের পানির নিচে তলিয়ে জলাবদ্ধতা হয়ে আবদ্ধ থাকে। বড়দল ইউনিয়নের বীরমুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আব্দুল ওহাব মোল‍্যা ও খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চু সহ এলাকাবাসী জানান, আমাদের এক ফসলি জমি, একমাত্রই পানি নিঃষ্কাশনের রাস্তা এই কালকীর স্লুইস গেটটি। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও মানববন্ধন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু তার কোন ভালো ফলাফল আমরা পাইনি।

 

আরো যানান অনেকেই ফসল উৎপাদন না করতে পেরে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আবার কেউ কেউ বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা সহ বিভিন্ন ইট ভাটায় চলে গেছে।

 

কালকীর স্লুইস গেটের বাইরে ও ভিতরে ২কিঃ মিঃ খাল খনন না করলে সামনে বর্ষা মৌসুমে আবার জলাবদ্ধতায় ভুগতে হবে আমাদের। বড়দল ও খাজরা ইউনিয়নের দশ গ্রামের দশ হাজার বিঘা জমির ফসল উৎপাদন করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী ভাবে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দশ গ্রামবাসী।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com