• শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০২:০২
সর্বশেষ :
ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি ডুমুরিয়ার হাটৈ যা নেবেন পঞ্চাশ একশ দেবহাটা আর.কে.বাপ্পার মায়ের চেহলাম, কবর জিয়ারত ও দোয়ানুষ্টান অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ায় ক্রিয়েশন কিন্ডার গার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভয় দেখিয়ে নয়, উদারতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে বলেছেন তারেক রহমান: জুয়েল খুলনায় অভ্যন্তরীন বাস্তুচ্যুত অভিবাসী জনগোষ্ঠীদের সাথে লিংকেজ মিটিং আশাশুনি সেনাবাহিনীর সাহসী অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ডালিম আটক দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পার মাতার ইন্তেকাল, শোক প্রকাশ শ্যামনগরে খুচরা সার ডিলারদের মানববন্ধন তালায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা

দা ফ নের ২ মাস পর কবর থেকে শিশুর লা শ উত্তোলন!

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৬৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫

দেবহাটার ভাতশালা থেকে আরমান ২ বছর ৭ মাস বয়সের এক শিশুর লাশ ২ মাস ১ দিন পর বিজ্ঞ আদালতে নির্দেশে উত্তোলন করেছে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন। ময়না তদন্ত শেষে পুনরায় দাফন করা হবে।

 

৩০ এপ্রিল বুধবার বিকালে ভাতশালা গ্রামের পারিবারিক কবর স্থান থেকে উক্ত লাশ উত্তোলন করা হয়।

 

লাশ উত্তোলন সময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান, দেবহাটা থানার নবাগত ওসি গোলাম কিবরিয়া হাসান, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উত্তোলন করা হয়।

 

জানা যায়, প্রথম তারাবির দিন লিজা তার সন্তান আরমানকে বিষ দিয়ে মেরে মিনিষ্টোক করেছে বলে তার স্বামী কুমিল্লায় কাজে অবস্থানরত আব্দুর রহিম কে জানায়। অসুস্থ শিশু আরমানকে প্রথমে সখিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত ডাক্তার বিষ খাওয়ানো হয়েছে বুঝতে পেরে কিছু না বলে খুলনা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। খুলনা যাওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তড়িঘড়ি করে বাড়ি নিয়ে দাফন সম্পন্ন করে।

 

থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই তাজুল জানান, সখিপুর গ্রামের আরিয়ান আলামিন নামের এক ছেলের সাথে ভাতশালা গ্রামের আ: রহিম ঢালীর স্ত্রী এক সন্তানের জননী সোনালী আক্তার লিজা (২২) সাথে প্রমের সম্পর্ক গড়ে উঠার কারণে নিজের শিশু বাচ্চাকে বিষ খাবাইয়া মেরে ফেলে লুকিয়েছিল। কবর দেওয়ার সময়ে বাচ্চার মুখ দিয়ে রক্ত বাহির হলে ও লাশের অবস্থা দেখে তখন তার বাবার গার্জিয়ানদের সন্দেহ হয়। সন্দেহের পর থেকে তাকে মাঝে মাঝে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করার পর ৮/৯ দিন পর সে নিজে বিষ খাবাইয়ে মেরেছে স্বীকার করে। তখন শিশুর পিতা আ: রহিম বাদী হয়ে দেবহাটা থানার তার স্ত্রী লিজা ও তার প্রেমিকা আরিয়ানকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং – ৬/২৫ (দেব)।

 

 

মামলার করার পরে লিজাকে গ্রেফতার করা হলে তার স্বীকারোক্তিতে লিজা বলেন, যদি বাচ্চা থাকে তার প্রেমিকার সংসারে যেতে অসুবিধা পরকীয়া প্রেমিক সে তাকে মেনে নিবে না। সেই জন্য সে সিঙ্গেল হয়ে যাওয়ার সুবিধার্থে বাচ্চাকে মেরে ফেলেছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com