• সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০৫
সর্বশেষ :
ফানি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আল আমিন অগ্নিদগ্ধ নাসিং ও মিডওয়াইফাদের ৮ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ২ ঘন্টা নার্সদের প্রতিকী শাট ডাউন শীতে রসের ঘ্রাণে মুখর হয়ে ওঠে পাইকগাছার গ্রামীণ পরিবেশ ডুমুরিয়ায় কৃত্রিম প্রজনন সেবা ও মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আশাশুনির ইউএনও কৃষ্ণা রায়কে বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা ফসলের হাসিতেই খুশি কৃষক ধানের চারা উৎপাদনে ব্যস্ত কৃষকেরা পাটকেলঘাটায় হামলা ও মারপিট করে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার মোটরসাইকেল লুটপাট ঢাকা থেকে পাঠানো ওয়ালটনের পণ্য গায়েব, পাটকেলঘাটায় উদ্ধার দেবহাটায় শীতার্ত অসহায়দেরকে ইউএনওর কম্বল বিতরন তালায় শিক্ষকদের মতবিনিময় সভায় উন্নয়ন অঙ্গীকার হাবিবুল ইসলাম হাবিবের

ভারত মিয়নমার সীমান্তে বেড়া নির্মাণে ৩৭০ কোটি ডলার ব্যয় করবে

প্রতিনিধি: / ১৭২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : মিয়ানমারের সঙ্গে ১,৬১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে বেড়া নির্মাণ করতে ভারত সরকার প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছে। বেড়া নির্মাণ কাজ শেষ হতে এক দশক সময় লেগে যাবে। এ বিষয়ে খুব ভালোভাবে অবগত আছেন এমন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। ওই কর্মকর্তা নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। এ বছরের শুরুতে দিল্লি মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের কয়েক দশক পুরানো ভিসা-মুক্ত চলাচল নীতি থেকে সরে আসার এবং যুদ্ধবিক্ষুব্ধ প্রতিবেশী সীমান্তে বেড়া নির্মাণের ঘোষণা দেয়। এর কারণ ব্যাখ্যায় ভারত সরকার থেকে বলা হয়, তারা সীমান্ত এলাকায় বসবাস করা নিজদের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং উত্তরপূর্বাঞ্চলের ভ‚প্রাকৃতিক অবকাঠামো ঠিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এ মাসের শুরুতে ভারত সরকারের একটি কমিটি সীমান্ত বেড়া নির্মাণ ব্যয়ে অনুমোদন দেয়। এখন এতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভার অনুমোদন প্রয়োজন। রয়টার্স থেকে এ বিষয়ে জানতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, পররাষ্ট্র এবং তথ্য ও স¤প্রচার মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের কারো কাছ থেকেই কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। মিয়ানমার জান্তা সরকার থেকেও এখন পর্যন্ত ভারত সরকারের সীমানা বেড়া নির্মাণ পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ২০২১ সালের ফেব্রæয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। তারপর থেকে নানা আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মিয়ানমার সৈন্যদলের লড়াই চলছে। গত কয়েক মাসের লড়াইয়ে বিদ্রোহীরা বেশ কিছু অঞ্চল এবং শহরের দখলও নিয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com