• বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮
সর্বশেষ :
বিএনপির ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে একসঙ্গে বহিষ্কার বিধবাকে কু*পিয়ে হ*ত্যা, রান্নাঘর থেকে মর*দেহ উদ্ধার পাইকগাছায় অবৈধ ইটভাটা–কয়লার চুল্লি উচ্ছেদ নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছে প্রশাসন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: সাতক্ষীরা-১ আসনে পাঁচ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান আব্দুস সালামকে ক্রেস্ট উপহার দিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলমগীর কবির তালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত তালার হাজরাকাটিতে উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পেট্রোল ওজনে কম দেওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেবহাটায় গনভোট ও বাল্য বিবাহ নিরোধ সম্পর্কে অবহিত করতে মহিলা সমাবেশ শ্যামনগরে বাঘ বিধবাকে হ*ত্যার উদ্দেশ্যে ধা*রালো দা দিয়ে কু*পিয়ে গুরুতর জ*খম

১৯৭১ সালে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন ভারত খুঁজে পেল

প্রতিনিধি: / ২৫১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জলযান ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই ওই সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ মিলেছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে ছিল মার্কিন নৌবহরের অংশ। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার করা হত। পরে সেটি পাকিস্তানের নৌবাহিনীকে দিয়েছিল আমেরিকা। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’। ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের ১১ জন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপক‚লের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিন পাঠানো হয়েছিল। এ ছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামক রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com