• রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৯
সর্বশেষ :
ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ টু ফয়জুল্যাপুর মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা তেল-গ্যাসে কৃত্রিম সংকট, বাড়তি দামে বিক্রি; সিন্ডিকেটের কবলে ক্রেতারা জ্বালানি তেল পা*চাররোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি সুন্দরবনের গোলপাতা বহনে প্রস্তুত হচ্ছে পেটকাটা বড় নৌকা বুধহাটায় এটি মোবাইল ষ্টোর এর নতুন শোরুম উদ্বোধন নগরঘাটায় আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমে এতিমদের সাথে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোরআনের আইন বাস্তবায়ন ছাড়া সুন্দর সমাজ গঠন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব : অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জতুল্লাহ আশাশুনিতে এসিল্যান্ড বিজয় কুমার জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে স্ত্রীর নারী নি*র্যাতন মা*ম*লা প্রধান শিক্ষককে লা*ঞ্ছিত করে চেয়ার দ*খল: জামায়াত নেতা কারাগারে ডুমুরিয়ায় সালতা নদী খননের উদ্বোধন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন এমপি আলি আসগার লবি

পাইকগাছায় মুকুলে ভরে গেছে আশফল গাছ

প্রতিনিধি: / ২৫০ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

ইমদাদুল হক পাইকগাছা (খুলনা)
 চৈত্রের হাওয়ায় আশফল গাছের পল্লবে মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে। সোনালি  রঙের মুকুলে ঢেকে গেছে গাছ। বাতাসে আশফলের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। বাগান জুড়ে শুধু মৌমাছির গুঞ্জন। গাছে গাছে মুকুলের এ সৌন্দর্য আর মৌমাছির গুন গুন শব্দে সবার মন কাড়ছে। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের পাগল করা ঘ্রান। বাতাসে মিশে সৃষ্টি হচ্ছে মৌ মৌ গন্ধ। ফুলে ফুলে মৌমাছি উড়ে উড়ে মধু সংগ্রহ করছে আর এতে পরাগায়ন হচ্ছে ফুলের। বসন্তের নানা ফুলের সঙ্গে সৌরভ ছড়াচ্ছে গাছে গাছে  আশফলের মুকুল। আর এ মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। মনকে করে তুলছে আরো প্রাণবন্ত।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের স্থানীয় উদ্ভিদ আঁশফল গাছ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পথের ধারে অনেক স্থানেই দেখা যায়। তবে আমাদের দেশের স্থানীয় আঁশফল এর ফল আকারে ছোট এবং রসালো অংশ খুবই কম। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সম্প্রতি বারি আঁশফল-১ এবং বারি আঁশফল-২ নামে আঁশফলের দুটি উন্নত জাত বাংলাদেশের সর্বত্র চাষের জন্য মুক্তায়ন করেছে।আঁশফল এক প্রকার লিচু জাতীয় সু-স্বাদু ফল। এটি লংগান ও কাঠ লিচু নামে পরিচিত। এটি দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার উদ্ভিদ। যার ক্রান্তীয় অঞ্চলের বৃক্ষ। আঁশফল গাছ মধ্যমাকারের চির সবুজ বৃক্ষ। যা ৬ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। বেলে মাটিতে এই গাছ জন্মে।
আশফল শারীরিক দুর্বলতা তাড়াতে অতুলনীয়। অবসাদ দূর করতেও এর দারুণ সুনাম। হৃদযন্ত্র সুরক্ষা এবং সক্রিয় রাখতে আঁশফল উপকারী ভূমিকা পালন করে। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশফল খাওয়া উচিত। পেটের অসুখ দূর করতেও এতে থাকা আঁশ উপকারী। আঁশফলে থাকা লৌহ দেহের ক্ষয়পূরণে সহায়ক। দেহের মাংসপেশির ক্ষয় রোধ করতে আঁশফল খুবই উপকারী। কোনো ধরনের ফ্যাট না থাকায় ওজন কমাতেও এ ফল সাহায্য করে। আঁশফলের ভিটামিন ‘সি’ নানা ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধে দেহকে শক্তিশালী করে তোলে।
চলতি মৌসুমে পাইকগাছায় আঁশফল গাছে ব্যাপক ফুল হয়েছে। উপজেলার গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী ও কপিলমুনি ইউনিয়নে ছড়ানো ছিটানো আঁশফলের গাছ রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ জানান, এলাকার আঁশফলের গুণগতমান খুব বেশি ভাল না হলেও চাহিদা রয়েছে প্রচুর।প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে আশফলের ভালো ফলন হবে। পরিত্যাক্ত জায়গায় আঁশফলের আবাদ করা যায় এবং কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এ জন্য এলাকার কৃষকদেরকে আঁশফল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com