• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪
সর্বশেষ :
দেবহাটায় গড়িয়াডাঙ্গা বিদ্যালয়ের ভাঙা ব্রিজ সংস্কারের উদ্বোধন শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বারসিকের বর্ণাঢ্য ক্যাম্পেইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের উৎপাত, উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও স্থানীয়রা শ্যামনগরে অপহরণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জ সদরে দিনব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত দেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে বেকারত্ব দূর: মহিলাসহ কৃষকরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী শ্যামনগরে ভূমি দস্যু,চাঁদাবাজ হাসুর অত্যাচার নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন ভোট হবে সংবিধানের পথেই, পুরনো পদ্ধতিতে নয়: এলজিআরডি মন্ত্রী ধুলিহরে বেতনা ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন, সভাপতি শাহিন সম্পাদক ইমরান তালায় চিকিৎসার কথা বলে গৃহবধূকে ডেকে ধ*র্ষ*ণের অভিযোগ, রাজু ধরাছোঁয়ার বাইরে

বেদখল জমি ক্রয় করে দখল নিতে একাধিক মামলা মোক্ষদমা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ 

দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি / ৩২৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪
মামলা মোক্ষদমা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ 

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাও ইউনিয়নের নতুন কৃঞ্চনগর গ্রামের মৃত আব্দুল রশিদের পুত্র মো. ইকবাল হোসেনকে অহেতুক মামলা মোক্ষদমা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ , একই গ্রামের মৃত মতছির আলীর পুত্র মখলেছুর রহমানের বিরোদ্ধে।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায়  সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ০৯/১২/৯৫ইং ৪৭৩৫/৯৫ দলিল মুলে ডাউকের কারা মৌজার ২০২৬ দাগে ১.৮০ শতাংশ ভূমি রেকর্ডিয় মালিক হাফেজ আব্দুল গনির ওয়ারিশ গনের নিকট থেকে ক্রয় সূত্রে মালিক হন মো. ইকবাল হোসেন। এযাবৎ তিনি জমির ভোগদখলে ও রয়েছেন। ইতিপূর্বে মখলেছুর রহমান মহিলা ওয়ারিশের বেদখল কৃত জমি ক্রয় করে জমির দখল নিতে একাধিক মামলা মোক্ষদমা ও করছেন তিনি। ২০২৬ দাগে মোট ভূমির পরিমান ৩.৬১ শতাংশ।
এবিষয়ে ইকবাল হোসেন বলেন,  আমি রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারিশদের নিকট থেকে ১৯৯৫ সালে জমি ক্রয় করে ভোগদখলে রয়েছি। উক্ত দাগের উত্তর সীমান্তে ১.৮০ শতক ভূমি আমার দখলে রয়েছে। আমার জমি ছাড়াও একই দাগের দক্ষিণ পাশে ১৮১ শতক ভূমি রয়েছে। সেখানে মখলিছুর রহমানের জমি থাকতেও পারে।
এ বিষয়ে মখলেছুর রহমান বলেন আমি রেকর্ডিয় মালিক থেকে জমি ক্রয় করেছি প্রবাসে থাকার কারণে ইকবাল হোসেন আমার জমি দখল করে নিয়েছে। জমি দখল নেওয়ার জন্য আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম জানান, মখলিছুর রহমান যার নিকট থেকে  জমি ক্রয় করেছেন তিনিও জমির দখলে ছিলেন না। টাকার গরমে মখলিছুর রহমান  বেদখল জমি ক্রয় করে বিপাকে রয়েছেন।  স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইকবাল হোসেন জানান ১৯৯৫ সালে ভূমি ক্রয় করার পর থেকে ১.৮০ শতক ভূমি আমার দখলে রয়েছে। একই দাগের ভূমি মালিক আছদ্দর আলী বলেন, এই দাগে আমারও জমি রয়েছে। আমি ১৯৯৫ সাল থেকে ইকবাল হোসেনকে জমির দখলে রয়েছে। মোখলেছুর রহমান কোন দিন জমির দখলে ছিলো না।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com