• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯
সর্বশেষ :
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরা, সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ: সন্তানদের গতিবিধি নজরে রাখার আহ্বান শ্যামনগরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণে কর্মশালা নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা আজকাল রাজনীতির কিছু চিত্র দেখে সত্যিই অবাক হতে হয় : ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দেবহাটায় যুবদলের বিক্ষোভ ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই সময়মতো উন্মুক্ত হবে কি পাইকগাছার কুড়ুলিয়া-লস্কর সেতু? সেপ্টেম্বরেই শেষ মূল চুক্তির মেয়াদ তালায় ২৯ জন উপকারভোগীর মাঝে ছাগল, ভেড়া ও ঘর বিতরণ

ধানদিয়ায় জমি বিরোধে কৃষকের ফসলের সাথে শত্রুতা

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৩৪৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কৃষকের প্রায় দশ শতক জমির ঝাল, ওল, বেগুন, পেপেগাছ কেটে ও বীজ ধানের চাতর নষ্ট করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গত (২০ জুলাই) রবিবার গভীর রাতে উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে। উক্ত ঘটনায় থানায় এজাহার দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।

 

 

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইয়ার খাঁ’র পরিবারের সদস্যরা জানান, ‘জমিটির মালিকানা নিয়ে তাদের সাথে মোহাম্মদ আলী খাঁর ছেলে জাকির খাঁ, আমজেদ খাঁ ও জামাতা ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা হলেও সমাধান হয়নি। গত রবিবার আমার দুই ভাইকে আদালত জেলহাজতে পাঠায়। এই সুযোগে তারা প্রায় দশ শতক জমির ঝাল, ওল, বেগুন, পেপেগাছ কেটে ও বীজ ধানের চাতর নষ্ট করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে।’

পরিবারের অন্য সদস্যদের ভাষ্যমতে, ‘ওই দিন গভীর রাতে প্রতিপক্ষ দলবলসহ মাঠে গিয়ে সব ফসল কেটে ও উপড়ে ফেলে দেয়। বাধা দিলে হুমকি দেয়। এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। একই সাথে তারা আতংকে দিনযাপন করছে বলে জানান।

 

 

এদিকে অভিযুক্ত পক্ষের আমজেদ খাঁ ও জাকির খাঁ বলেন, ‘উক্ত জমিটি আমাদের পূর্বপুরুষদের। তারা আইন না মেনে প্রাপ্য ২৪ শতকের পরিবর্তে ৬৩ শতক জমি জোরপূর্বক ভোগদখল করছে।”

 

 

এ বিষয়ে ধানদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কয়েকবছর ধরে জমি নিয়ে দুই পরিবারে দ্বন্দ্ব চলছে। তৃতীয় পক্ষকে সুযোগ না দিয়ে দুই পরিবার স্থানী ভাবে বসাবসি করলে সমাধান সম্ভব। তবে ফসলের ক্ষতির কথা তার জানা ছিল না। তবে সেখানে গ্রামপুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

 

এদিকে উক্ত ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে শালিসি বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com