• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৯
সর্বশেষ :
মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর সেবক হিসেবে আজীবন পাশে থাকতে চাই : আলি আসগার লবি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা দেশে সবার সমান অধিকার, ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই: ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে : রাহমাতুল্লাহ পলাশ ব্রহ্মরাজপুর বাজারে নাভানা ফার্মের আয়োজনে খামারিদের প্রশিক্ষণ মতবিনিময় আমার জনপ্রিয়তা দেখে একটি মহল নানা ষ*ড়য*ন্ত্রে লিপ্ত: হাবিবুল ইসলাম হাবিব শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক লাইভে আব্দুল্লাহ আল জাবের

এলাবাসীর উদ্যোগে হাড়কাটার ফাঁকা বিলের মাঝে মসজিদ নির্মাণ

মো: আল মামুন / ৩৬৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের হাড়কাটার জামতলায় গত ২৪ সালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে ফাঁকা বিলের মাঝে নির্মিত হয়েছে একটি সুন্দর মসজিদ। যেখানে রয়েছে অজুখানাসহ টিউবওয়েল। দীর্ঘদিন ধরে ওই স্থানে ধর্মীয় উপাসনার কোনো স্থান না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে এই উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ সৃষ্টি হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, বছরের অধিকাংশ সময় ফাঁকা থাকা এই বিলে আশপাশের গ্রামের পথচারী, ঘের ব্যবসায়ী, কৃষক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। নামাজের সময় হলে অনেকেই বিপাকে পড়তেন। বিশেষ করে গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে দূরের পথ চলা মানুষজন নামাজ আদায়ের পাশাপাশি একটু জিরিয়ে নেওয়ার মতো স্থানের অভাব বোধ করতেন।

 

আরো পড়ুন – সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদী থেকে আহত কচ্ছপ উদ্ধার করে অবমুক্ত

 

এই প্রয়োজনীয়তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে জমি নির্ধারণ, অর্থ সংগ্রহ ও শ্রম দিয়ে মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন। এই কাজে এলাকার যুব সমাজ থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, কৃষক, কর্মচারী, ঘের মালিক সবাই একসঙ্গে অংশ নেন। সরকারি কোনো অনুদান ছাড়াই, সম্পূর্ণ স্থানীয়দের অনুদান ও পরিশ্রমেই জামতলার এই মসজিদটির কাজ সম্পন্ন হয়।

 

মসজিদের কার্যকারিতা নিয়ে পথচারী ফারুক হোসাইন বলেন, প্রতিনিয়ত কাজের প্রয়োজনে আমি এই রাস্তা দিয়ে যাই। আগে নামাজ পড়ার জায়গা পেতাম না। এখন এখানে এসে অজু করে নামাজ পড়তে পারি, আল্লাহর রহমতে অনেক শান্তি পাই। জায়গাটা এখন শুধু ইবাদতের না, মানসিক প্রশান্তিরও।

 

কৃষক রুবেল সরদার বলেন, বিলে কাজ করতে করতে যখন আযান শুনি, তখন এই মসজিদে এসে নামাজ পড়ি। আগের মতো আর দূরে যেতে হয় না। আমাদের জন্য এটা বড় নেয়ামত।

 

ঘের ব্যবসায়ী মো: রনি বলেন, প্রায় সময় ঘেরে কাজ করি। দুপুরে রোদে ক্লান্ত হয়ে গেলে এই মসজিদেই বসি, পানি পান করি। কখনো কল্পনাও করিনি এখানে কেউ মসজিদ বানাবে, এখন দেখি সবাই একসাথে মিলেই বানিয়ে ফেলেছে। গর্ব হয়!

 

এলাকাবাসী জানান, মসজিদকে ঘিরে এখানে ২টা দোকানও বসেছে। মসজিদটি খুব ছোট হলেও সময় মত সালাত আদায় করা যায়।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com