• মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩০
সর্বশেষ :
ডুমুরিয়ায় একটি নক্ষত্রের শিক্ষক আবু সাঈদ আহমদ বিদায় তালায় ধানের শীষের নির্বাচনীয় জনসভা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা নানা আয়োজনে মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উদযাপন আশাশুনির তিন ইউনিয়নে রবিউল বাশারের গণসংযোগ ও পথ সভা আশাশুনির শ্রীউলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে ত্রৈমাসিক সভা দুর্নীতির একটি পয়সাও আমার পকেটে ঢুকবে না ইনশাল্লাহ : অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরা-৩ আসনে এনসিপির গণভোটের প্রার্থী ডা. মনিরুজ্জামান ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধিনতা‌ চত্বরে বিএনপির সনাতনী সমাবেশ ব্যতিক্রম আয়োজনে বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবে দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

দুই দিনেও ৯০ ফুট গভীর সরু গর্তে থেকে শিশু সাজিদকে উদ্ধার করা যায়নি

অনলাইন ডেস্ক / ৫৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

গত ৩০ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও উদ্ধার সম্ভব হয়নি রাজশাহীর তানোরে প্রায় ৯০ ফুট গভীর সরু গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে। সাজিদকে বাঁচাতে গতকাল থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৫০ ফুট খনন করার পরও তার অবস্থান দেখতে পাওয়া যায়নি। সাজিদকে বাচাঁতে গতকাল থেকে সময় যত এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে উৎকণ্ঠা, চারদিকে বুক ফাটা কান্না আর অপেক্ষা। স্বাধীনের জন্য দোয়া আর অপেক্ষায় রত গোটা দেশ।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট উত্তরপাড়া মায়ের সঙ্গে জমিতে খেলতে গিয়েছিল ২ বছরের ছোট্ট সাজিদ। খেলা শেষে মায়ের কোলে চড়ে বাড়ী ফেরছিল। বাড়ীর অদুরে তাকে কোল থেকে নামিয়ে দেয়। সাজিদ মায়ের পিছু পিছু আসছিল। হঠাৎ পড়ে যায় পাশের পরিত্যক্ত নলকূপের একটি পাইপের গর্তে। যেটি গত বছর ৯০ ফুট বোরিং করা হলেও পানি না পাওয়ায় পাইপ উঠিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু সেইসময় গর্তটি ভরাট করেনি জমির মালিক কসির।

 

স্থানীয়রা জানায়, প্রথমদিকে ওই গর্ত থেকে কান্নার শব্দ পাওয়া গেলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সাড়া ক্ষীণ হয়ে আসে। স্থানীয়রা দৌড়ে এসে উদ্ধার চেষ্টা কওে ব্যর্থ হয়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে কর্মীরা ছুটে আসে।

 

ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর ৮টি ইউনিট টানা কাজ করে যাচ্ছে। গর্তের ভেতরে অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে, পাশাপাশি পাশ থেকে মাটি খুঁড়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ৩০ ঘণ্টায় সব চেষ্টায় ব্যর্থ। তবে হাল ছাড়েনি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ঢাকা থেকে ছুটে এসে উদ্ধার কাজের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি জানান, এই ধরনের অভিযান খুবই সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। সনাতন পদ্ধতিতেই এ ধরনের উদ্ধার কাজ চালানো হয়। তবে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের আশা খুব ক্ষীণ হয়ে আসছে।

 

স্থানীয়রা জানায়, যে গর্তে সাজিদ পড়েছে তার আশপাশে আরো দুটি গর্ত আছে। সাজিদের মা রুনা খাতুন কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘৩ জায়গা খুঁড়েছিল। ২ বছর ধরে বন্ধ না করে গর্তগুলো এভাবে ফেলে রেখেছিল। কেন ফেলে রেখেছিল? আমি কসিরের তার বিচার, চাই শাস্তি চাই। তবে এই ঘটনার পর কসির আত্মগোপন করেছে।

 

সাজিদের মা দেশবাসীর কাছে তার ছেলের জন্য দেয়া চান, যাতে জীবিত অবস্থায় ছেলে তার কোলে ফিরতে পারে। সাজিদ তার বাবা রাকিব হোসেনের তিন ছেলের মধ্যে দ্বিতীয়।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com