• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১
সর্বশেষ :
মির্জা আব্বাসের কিছু হলে তার ৮০ পারসেন্ট দায়ী পাটওয়ারীর অনিয়ন্ত্রিত কথাবার্তা : মেঘনা আলম শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাকের ধা*ক্কায় প্রা*ণ গেল যুবক ফরহাদ সরদারের দেবহাটায় র‍্যাব-৬ এর অভিযানে তক্ষকসহ আ*টক ১, থানায় মাম*লা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হাতের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই বিধবা হলো সদ্য বিবাহিত গৃহবধূ তানিয়া খাতুন শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরে বি*ষ প্রয়োগের অ*ভিযো*গ: দিশেহারা মৎস্য চাষী দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা সখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার, সময়মতো মিলছে না খাবার দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত না.গঞ্জে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি চলমান

পাটকেলঘাটার খলিশখালীতে ২ কোটি ১০ লাখ টাকার ডাকাতি: তিনজন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১৪০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

পাটকেলঘাটার খলিশখালী ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামে সংঘটিত দুই কোটি ১০ লাখ টাকার আলোচিত ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার দুই দিনের মাথায় এই সাফল্য আসে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তিন লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

 

খলিশখালী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই তহিদুজ্জামান তৌহীদের নেতৃত্বে অভিযানে গ্রেপ্তাররা হলেন—খলিশখালী ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামের আলার আলী মোড়লের ছেলে হাফিজুর রহমান, আফসার আলী মোড়লের ছেলে আবু সাঈদ মোড়ল এবং ইফাজতুল্ল মোড়লের ছেলে মোকসেদ আলী মোড়ল।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোকসেদ আলী মোড়লের গোয়ালঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় তিন লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

 

উল্লেখ্য, গত ২০ জানুয়ারি খলিশখালী ইউনিয়নের গণেশপুর বাজারসংলগ্ন এলাকায় পোল্ট্রি ফিড ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের খামারবাড়িতে একদল ডাকাত হানা দিয়ে দুই কোটি ১০ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

 

ঘটনার পর তালা ও পাটকেলঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, পাটকেলঘাটা থানার ওসি লুৎফুল কবির এবং খলিশখালী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই ওবাদুল্লাহ ও এএসআই তহিদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রুহুল আমিন বলেন, “এটি আমার অত্যন্ত কষ্টার্জিত টাকা। আমি কোনো মিথ্যা কথা বলিনি। ওই টাকা আমার বাবা ঘরের ভেতরে একটি স্থানে রেখে গিয়েছিলেন, যা আমি নিজেও জানতাম না।”

 

পুলিশ জানায়, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এই ডাকাতির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। খুব শিগগিরই ঘটনার সব রহস্য উদঘাটন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে পুলিশ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com