• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬
সর্বশেষ :
খুলনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ভোট গ্রহন ৫ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরে বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে ছেলের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আল ফেরদৌস আলফা দেবহাটার কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শ্যামনগর নুরনগর দাসকাটিতে গ্রাম্য পাইলস ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃ*ত্যু পাঠকের আস্থা হারালে সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে: কে এম রেজাউল করিম শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ: সংঘ*র্ষে আহত ৫

‎মটবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট: খোলা আকাশের নিচে তাবু টানিয়ে পাঠদান

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা খুলনা প্রতিনিধি / ৭৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

পাইকগাছা উপজেলার ২৪ নং মটবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে খোলা আকাশের নিচে তাবু টানিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে হচ্ছে। ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করেই শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটার পাশাপাশি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

‎বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, বৃষ্টি শুরু হলেই তাবুর নিচে পানি ঢুকে পড়ে। অনেক সময় বই-খাতা ভিজে যায় এবং পাঠদান বন্ধ রাখতে হয়। এ কারণে বর্ষাকালে তাদের নিয়মিত স্কুলে আসতেও অনীহা তৈরি হয়।

 

‎প্রধান শিক্ষক সুষমা রানী মণ্ডল জানান, বিদ্যালয়ে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। অথচ মাত্র পাঁচটি শ্রেণিকক্ষ থাকায় এক শিফটে সব শ্রেণির পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নতুন ভবনের খোলা ছাদের নিচে তাবু টানিয়ে অতিরিক্ত শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “শ্রেণিকক্ষ সংকটের বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠ গ্রহণের সুযোগ পাবে।”

 

‎অভিভাবকরাও এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, বর্ষার সময় বৃষ্টি হলে সন্তানদের বই-খাতা ভিজে যায় এবং তারা অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এ কারণে অনেক শিশু বর্ষাকালে স্কুলে যেতে চায় না। তারা দ্রুত বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ অথবা প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয়দের মতে, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের পরিবেশে পাঠদান শিক্ষার মানের জন্যও হুমকিস্বরূপ। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে তারা মনে করছেন।

 

‎উপজেলা শিক্ষাকর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ (ভারপ্রাপ্ত) জানান, বিষটি দেখে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যাতে আপাততঃ একটি ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করা যায় সে ব্যপারে চেষ্টা করেছে কর্তৃপক্ষ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com