• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭
সর্বশেষ :
বড়খামারে মসজিদের মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময় ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেবহাটার আলোচিত শামীম হ*ত্যা: থানায় মা*মলা, এজাহারনামীয় দুই আসামি গ্রেপ্তার তালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পি*টিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ অবৈধ ইজারা বাতিল ও উচ্ছেদের দাবিতে রাজপথে ভুক্তভোগীরা, সংহতি জানালেন ফাহমিদা হক এমপি ও বাপ্পী শ্যামনগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাকিকে কু*পিয়ে হ*ত্যা, ঘাতক আটক সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে অবৈধ কাঁকড়া শিকার: ৬০ কেজি কাঁকড়াসহ আটক ৩ ‎পাইকগাছায় আমন আবাদ ভালো হলেও নানা প্রতিকূলতায় লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি শ্যামনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান দেবহাটায় সখিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

বড়খামারে মসজিদের মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

‎​ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বড়খামার জামে মসজিদের কয়েকটি মেহগনি গাছ অবৈধভাবে কেটে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় গাজী পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।​ অভিযুক্তরা হলেন বড়খামার গ্রামের মৃত আবদুর রশিদ গাজীর ছেলে আব্দুর রহিম বাবু এবং সেলিম গাজী।

 

‎​শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদ কমিটি কতৃক আয়োজিত ঘটনাস্থলে এক প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগ করেন ব্রহ্মরাজপুর বড়খামার এলাকার সাধারণ মুসল্লীবৃন্দ।

 

‎ব্রহ্মরাজপুর বাজার সংলগ্ন বড়খামারের সেলিম গাজীর বাড়ির উত্তর- পশ্চিম অংশে মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত ​প্রতিবাদ সমাবেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, এটি তাদের প্রথম অপকর্ম নয়। এর আগেও অভিযুক্তরা বড়খামার এবতেদায়ী মাদ্রাসা চত্বর থেকে জোরপূর্বক আনুমানিক ২ (দুই) লাখ টাকা মূল্যের অসংখ্য গাছ কেটে নিয়ে যায়।

 

‎​শুধু গাছ কাটা নয়, ​অভিযুক্ত সেলিম গাজীর নির্মিত বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদের কার্নিশ এবং বাথরুমের একাংশ সীমানা ডিঙিয়ে মসজিদের জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে এবং ​দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের জমির ওপর টয়লেটের রিং-স্ল্যাব ফেলে রেখে জায়গা দখল করে রাখা হয়েছে।

 

‎​মসজিদ কর্তৃপক্ষ এগুলো সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করলেও তারা তাতে কোনো কর্ণপাত করেনি।

 

‎​বিল্ডিং নির্মাণের প্রাথমিক পর্যায়ে মসজিদ কমিটি কেন বাধা দেয়নি— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপস্থিত মুসল্লিরা বলেন, বিল্ডিং নির্মাণের সময় বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চলত। সে সময় প্রতিবাদ করলে উল্টো মিথ্যা মামলা ও নানাভাবে হয়রানির ভয় ছিল। ফলে ভয়ে মসজিদ কমিটির কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি।

 

‎​মসজিদ ও মাদ্রাসার সম্পত্তি রক্ষায় এবং মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারণ জনগণ। তারা অবিলম্বে ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

 

‎অপরদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সেলিম গাজী নামের আইডি থেকে একটি পোস্টে গাছ কাটার ব্যাপারে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত সেলিম গাজী। এসময় মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল গফফার সানা, সহ সভাপতি- বাবর আলী সরদার,সেক্রেটারি মাও: আনিসুর রহমান,মুসুল্লিদের মধ্যে নজরুল সরদার, খালেক সরদার, আলেক কারিগর,আদম আলী, সুলতান বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান ও ইমরান হোসেনসহ তিন শতাধিক মুসুল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com