শ্যামনগরে জলবায়ু সুবিচারের দাবিতে   অবরোধ কর্মসূচি
এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: জলবায়ু সুবিচারের দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে তরুণরা। বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রম সপ্তাহের অংশ হিসেবে সুইডিস পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের আহবানে সাড়া দিয়ে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর, শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সম্মুখে,যুব সংগঠন, শরুব ইয়ুথ টিমের আয়োজনে সংহতি প্রকাশ করেন ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভালপমেন্ট ফাউন্ডেশন,, গ্লোবাল প্লাটফর্ম বাংলাদেশ, এক্টিভিস্টা শ্যামনগর, উপজেলা যুব ফোরাম, জলবায়ু অধিপরামর্ষ ফোরাম, সূর্যদয় ইয়ুথ টিম সহ বিভিন্ন যুব সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণে অবরোধ কর্মসূচি সফল করতে তরুণ জলবায়ু কর্মীরা একত্রিত হয়। পরে তারা জলবায়ু সুবিচারের দাবি দাওয়া সম্বলিত প্লাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বিশ্ব জলবায়ু কর্মসূচি সপ্তাহ উদযাপন কমিটির আহবায়ক এস এম জান্নাতুল নাঈম এর সভাপতিত্বে ও মমিনূর রহমান এর সঞ্চালনায় জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নজরুল ইসলাম, রণজিৎ বর্মন, ৩নং শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দেলোয়ারা বেগম,ধ্রুবতারা সহ সভাপতি: সোহেল রানা, শরুব ইয়ুথ টিমের : সাইফুল্লাহ ইসলাম,সূর্যদয় ইয়ুথ টিমের এম  মমিনূর রহমান  প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলের মানুষ আজ বিপদাপন্ন। এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় তরুণদের ভূমিকা আরও অর্থবহ করতে জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে তা বাস্তবায়নে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসমূহকে ক্ষতিপূরণে বাধ্য করতে সোচ্চার হতে হবে।
তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গোটা বিশ্ব ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এই ঝুঁকির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। জলবায়ু পরির্বতনের ঝুঁকি হ্রাস করতে এসব দেশের ভূমিকা সংকীর্ণ। প্যারিস চুক্তি প্রণয়নের প্রায় ৫ বছর অতিক্রান্ত হলেও জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তারা আমাদের ভবিষ্যত ও বর্তমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তাই ২০২৫ সালের মধ্যেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে৷ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসমূহের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আদায়কৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে হবে।
SHARE