• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮
সর্বশেষ :
শতবর্ষি কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পর্নে বিভিন্ন মন্দিরে ওসির পরিদর্শন সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি পাটকেলঘাটায় শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ দুই বছর পর সাতক্ষীরায় ৩শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা শুরু শ্যামনগরে পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধ নাইন্টি পাইপ, কৃষিজমি ও বাঁধ নিয়ে শঙ্কা আতঙ্কিত এলাকাবাসী শ্যামনগরে ছেলে ও পৌত্রের শাররীক নির্যাতনে হাসপাতালে ৮০ বছরের বৃদ্ধ সাতক্ষীরায় নদীকৃত্য দিবস পালিত দখল-দূষণমুক্ত জীবন্ত নদীর দাবি তালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওর মাধ্যমে ডিসিকে স্মারকলিপ

নামজারি জটলার ক ল ঙ্ক থেকে মুক্ত হচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ৩২৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪
ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

দীর্ঘদিনের নামজারি জটলার কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস। আগামী মাসের মধ্যে সকল গ্রাহক কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের পর ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে নামজারির কেস নিষ্পত্তি হবে।

 

জানা যায়, ২০ নভেম্বর বুধবার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন তিনি গোল ঘরে বসে নামজারির আবেদন শুনানি করেন বর্তমানে নামজারির কেস নিষ্পত্তির সংখ্যা প্রায় ১শত ৬৫ জন । এরমধ্য থেকে মঞ্জর হয়েছে ১১৫টি। মিস কেসের নিষ্পত্তি হয়েছে ৫০টি আবেদন। নামজারির আবেদন খারিজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে তথ্য নিলে হিন্দু সম্পত্তি স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবেন। অধিকাংশ দলিলেই মাতার অংশ না রেখেই পুত্ররা সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন।

 

জমি ক্রয় করা একাধিক দাগে কিন্তু ভোগদখলে থাকা একদাগে নামজারির আবেদন করা। মূল কাগজ পত্র দেখানো সহ শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। অনেকে অভিযোগ করেন মোবাইলে ম্যাসেজ না পাওয়া নামজারি না
করার। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদেরকে দিয়ে আবেদন করানো হয়েছিল বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই সকল লোকদের মোবাইল নাম্বার দেয়া ছাড়াও অনেকে সেই সিম ব্যবহার করছেন না। এছাড়া নামজারি না করার কারণ উল্লেখ করে বার্তা পাঠানোর তথ্য মিলেছে।

 

গত ২০ নভেম্বর সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নোটিশ করে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে ১৬৫ জনকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েছেন ১১৫ জন। কথা বললে শাহিপুর এলাকার নয়ন (৫৩) বলেন, আমি অনেক দিন ঘুরেছি। এই স্যার আসার পর বাড়ি থেকে ডেকে এনে নাম সংশোধন করা সহ নামজারি করে দিয়েছেন। ইতিপূর্বে রেওয়াজ ছিল টাকা ও দালাল ছাড়া নামজারি হয় না।  ভূমি অফিসে গ্রাহক ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায়নি। এমনকি শুনানি করতে আসা উপস্থিত সকলেই ভূমি অফিসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করাসহ ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি থাকে তার জন্য আশবাদ ব্যাক্ত করেন।

 

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন বলেন, আমি চাই প্রকৃত গ্রাহক এসে হাজির হয়ে তার কাগজ পত্র দেখিয়ে নামজারি করে নিয়ে যাক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী মাসের মধ্যে নামজারির জটলা
কেটে স্বাভাবিক হয়ে যাবে তখন আর সমস্যা হবে না।

 

এবিষয়ে এডিসি(রাজস্ব) মুকুল কুমার মিত্র বলেন, আমরা নির্দেশনা দিয়েছি আইনের ভিতরে থেকে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি করার জন্য। যাতে গ্রাহক তার সঠিক সেবা পায় কোন অবস্থাতেই কেউ যেন হয়রানি না হয়। আশা করছি আগামী মাসে বিধি মোতাবেক ২৮ দিনের মধ্যে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com