• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬
সর্বশেষ :
ধানদিয়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ,১৮ পূজামণ্ডপে অনুদান সাতক্ষীরার আলিপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ দেহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম তালায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ তালার খলিলনগরে বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ জিল্লুর রহমানের দল চায়নি, বিশেষ কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে: ইশরাক আজই পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক সুন্দরবনে অবৈধভাবে মাছ শিকার: ৮ জেলে গ্রেপ্তার, ২টি নৌকা ও মাছ জব্দ বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ সখিপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার শেখ আবু হাসান সাঈদের

পাইকগাছায় কনকনে শীতের মধ্যে ব্যোরা ধান চাষে ব্যস্ত চাষীরা

পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি / ৩৭২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫

পাইকগাছায় কনকণে ঠান্ডা উপেক্ষা করে চলতি বোরো মৌসুমে ধান রোপনে ব্যস্তসময় পার করছেন চাষিরা । তবে মাঝখানে শীত ও ঘন কুয়াশার কারনে বোরোর বীজতলা ও রোপনকৃত চারা টিকিয়ে রাখতে কৃষকদের হিমশীম খেতে হয়েছে। এখন কৃষকরা পুরদমে বোরো ধানের চারা রোপন শুরু করেছে।

শীত ও কুয়াশার মধ্যে কৃষকরা পরাদমে বোরোর আবাদ করছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ৫হাজার ৯৯৫হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে বোরোর চারা রোপন সম্পন্ন হয়েছে। বোরো আবাদের জন্য ৩২৫ হেক্টর জমিতে বোরোর বীজতলা তৈরী হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৯৫ হেক্টর উফশি ২৩০ হেক্টর।

জলবায়ু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে উপকূল অঞ্চলের কৃষি কাজ অন্য এলাকা থেকে এক থেকে দেড়মাস পরে শুরু হয়। এর ফলে অন্য এলাকার সাথে উপকূলীয় এলাকার চাষাবাদ ব্যবধান তৈরী হচ্ছে। সব মৌসুমেই চাষাবাদ দেরিতে শুরু হচ্ছে।

 

এখনো আমন ধান কর্তন চলছে। ধান কাটার পর এসব ক্ষেত বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুত করা হবে। তাছাড়া বৈরী আবহাওয়ার সাথে মোকাবেলা করে ফসল লাগাতে হয়।
উপজেলার হিতামপুর ব্লাকের কৃষক নজরুল ইসলাম বালেন, মাঝখানের তীব্র শীত ও কুয়াশায় ধানের চারা কিছুটা লাল হয়েছিলো।পলিথিন দিয়ে ঢেকে,পানি বদলসহ নানারকম পরিচর্যা করে বীজতলা ও রোপনকৃত চারা টিকিয়ে রাখা হয়েছে। তবে শ্রমিকের উচ্চ মূল্যের পরও চাহিদামত বোরো আবাদ করার জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।এতে করে বোরো আবাদ সম্পন্ন করতে সময় বেশি লাগছে।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল ইসলাম জানান, মাঝখানে তীব্র শীত ও কুয়াশা পড়লেও বীজতলা কোন ক্ষতি হয়নি। তাছাড়া প্রতিদিন পানি বদল করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। এখন আবহাওয়া বোরো আবাদের জন্য পুরাপুরি অনুকুলে রয়েছে। এসময় চারা রোপন করলে বোরোর আবাদ ভালো হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com