• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৬
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

কালিগঞ্জে পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রে ফতার একজন

হাফিজুর রহমান শিমুল / ৯০৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় উত্তম কুমার স্বর্ণকার (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত আনুমানিক ২টার দিকে কালিগঞ্জ থানা ও শ্যামনগর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত উত্তম কুমার স্বর্ণকার সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আনন্দ স্বর্ণকারের পুত্র। উত্তমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ভিকটিমের (বাদী) গোপন মুহূর্তের একটি ভিডিও ধারণ করে তা নিজ হেফাজতে রেখে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করেন।

 

ভুক্তভোগী প্রিয়া সরকার সাংবাদিকদের জানান, উত্তম স্বরচণকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে কালিগঞ্জ থানার ওসি, এসআই, কনস্টেবলসহ স্থানীয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেন। এছাড়া নারীদের নিয়েও প্রকাশ্যে অশ্লীল মন্তব্য করে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করেন তিনি।

 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তার বিরুদ্ধে এর আগেও নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক, ধর্ষণ এবং মাদক মামলাসহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই এসব অপরাধে জড়িত থাকলেও রহস্যজনক ভাবে আইনের আওতার বাইরে থাকতেন সে। তিনি আরো বলেন, উত্তম স্বর্ণকার বিভিন্ন সময়ে মানসিক চাপে রাখেন এবং ভিডিও ফাঁস করার হুমকি দিয়ে বারবার ব্ল্যাকমেইল করেন।

 

এক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশ করে তার ব্যক্তিগত সম্মান ও সামাজিক অবস্থান চরমভাবে ক্ষুন্ন করেন। এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, ভিডিও ফাঁসের পর থেকে প্রিয়া সরকার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরিবার ও সমাজে ব্যাপকভাবে অপমানিত হন।

 

এ ঘটনার পরই তিনি থানা পুলিশের মাধ্যমে আইনি সহায়তা চান। এ ঘটনায় উত্তম স্বর্ণকারের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় রুজু হয়েছে। মামলা নং-১২ হিসেবে তা খতিয়ানে নথিভুক্ত হয়েছে। কালিগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হারুন অর রশিদ মৃধা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে দুপুরে জেলাতে প্রেরণ করা হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com