• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৬
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

আশাশুনির মরিচ্চাপ নদী ভা’ঙ্গনে মসজিদ ও মাদ্রাসা হু’ম’কি’তে

বি এম আলাউদ্দিন, আশাশুনি প্রতিনিধি / ৩০৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়ায় মরিচ্চাপ নদী ভাঙ্গনে জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা চরম হুমকীতে পড়েছে। যে কোন সময় প্রতিষ্ঠান দুটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ২০০৩ সালে তেঁতুলিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ কওমিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং সংলগ্ন চর জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত।

 

নদী খননের সময় ভরাট এলাকা দিয়ে খনন কাজ না করে ভাঙ্গন এলাকা দিয়ে খনন করায় বছর না ঘুরতেই পুনরায় ভাঙ্গন ক্রিয়া শুরু হয়। একমাস পূর্বে এখানে দৃশ্যমান ভাঙ্গন শুরু হয় এবং এক সপ্তাহ আগে ২০/২৫ হাত বাঁধ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

এলাকার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে ও নিজেদের চেষ্টায় শতাধিক বাঁশ জোগাড় করে পাইলিং কাজ করান। বুধবার দুপুর নাগাদ পাইলিংসহ নতুন করে বাঁধ ভেঙ্গে নদীতে চলে যায়। বর্তমানে মসজিদ ভবনের পাশ ধরা করেছে, ইমাম সাহেবের বাসা ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। মাদ্রাসাটি হুমকীর মধ্যে রয়েছে।

 

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মসজিদ, মাদ্রাসাসহ এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

কাদাকাটি ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক আহবায়ক জহির উদ্দীন বলেন, আমরা এলাকার মানুষের সহযোগিতায় ভাঙ্গন রোধে কাজ করছি। ইউএনও মহোদয়ের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় দ্রুত বাঁধ রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায় ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শন করেছেন। তিনি ভাঙ্গনের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কা প্রকাশ করেন এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম জানান, আমরা বাঁধ রক্ষায় প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছি। পরবর্তীতে সার্ভে শেষে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com