• সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪
সর্বশেষ :
বিডিএফ প্রেসক্লাবে দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সরুলিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত নানা আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে দিনব্যাপি বাংলাদেশ লেখক সম্মেলন অনুষ্ঠিত তালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছার আগড়ঘাটায় উদ্ধার তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের বৈঠক তালায় কালের কণ্ঠের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত দেবহাটার কোঁড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও পুরস্কার বিরতণ বাবুখালীর ইতিহাস ঐতিহ্য বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ধুলিহরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আলোচনা ও দোয়া কর্ণফুলীতে নৌকাডুবি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ১১৭জন যাত্রী

ডুমুরিয়ায় বিশেষ অভিযানে পুশকৃত চিংড়ি জব্দ, অর্থদণ্ড

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ৬২ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

খুলনা জেলার ডুমুরিয়ায় চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানোর অপচেষ্টার বিরুদ্ধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড এবং পুশকৃত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। রবিবার (২৩ নভেম্বর ২০২৫) বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করে ডুমুরিয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।

 

“মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ১৯৯৭ (সংশোধিত ২০০৮)” অনুযায়ী পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান।

 

অভিযানে প্রথমেই ডুমুরিয়া বাজারের মেসার্স সাগর ফিসে চিংড়িতে জেলি পুশের সত্যতা পাওয়া যায়। এ অপরাধে ডিপোকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ১০ কেজি পুশকৃত চিংড়ি ও প্রায় ৩০ কেজি জেলি জব্দ করা হয়।
একই বাজারের মেসার্স মোল্যা ফিসেও পানি পুশের প্রস্তুতি নিতে দেখা গেলে ডিপো মালিককে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

এ ছাড়া লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে ডুমুরিয়া বাজারের ভাই ভাই ফিস, আবির ফিস, আয়শা ফিস, সঞ্জিত ফিস ও শ্রুতি ফিস—এই পাঁচ ডিপোকে ১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। তবে এসব ডিপো থেকে কোনো পুশকৃত চিংড়ি পাওয়া যায়নি।

 

অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী কেএম মহসিন আলম, অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহসহ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।

 

বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্য চিংড়ি দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সুনাম অর্জন করেছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর জেলি বা অন্যান্য পদার্থ পুশ করে কৃত্রিমভাবে ওজন বৃদ্ধি করার অপচেষ্টায় এই সুনাম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন প্রতারণা শুধু ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় না, বরং দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

 

অভিযান শেষে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “পুশকৃত চিংড়ি প্রতারণার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এ ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে। ভোক্তাদেরও সচেতন থাকতে হবে।”

 

বিশেষজ্ঞদের মতামত, দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যান্য উপজেলায়ও এমন অভিযান জোরদার করা গেলে চিংড়ি শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সুনাম আরও শক্তিশালী হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com