• সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৮
সর্বশেষ :
মৃত শিশু গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাড়িয়ে : যে কোন মুহুর্তে প্রাণহানির শঙ্কা! প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে ঢাকাস্থ কালিগঞ্জ আশাশুনিবাসীর সঙ্গে পরিবর্তনের অঙ্গীকারে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময় দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর ছেলের মতবিনিময় সরকারি কেবিএ কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক খোকনের বিদায় সংবর্ধনা সিলগালা শ্যামনগরের বেসরকারি আনিকা প্রাইভেট ক্লিনিক বিডিএফ প্রেসক্লাবে দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সরুলিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত নানা আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে দিনব্যাপি বাংলাদেশ লেখক সম্মেলন অনুষ্ঠিত তালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছার আগড়ঘাটায় উদ্ধার তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের বৈঠক

মৃত শিশু গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাড়িয়ে : যে কোন মুহুর্তে প্রাণহানির শঙ্কা!

তালা, সাতক্ষীরা সংবাদদাতা / ১৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

‎সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর বাজারের প্রাণকেন্দ্রে মহান্দি-কাশিমনগর বাজার আঞ্চলিক সড়কের পাশে মৃত শিশুগাছটি ব্যবসায়ী, কোমলমতি শিক্ষার্থী ও পথচারীদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে কোনো সময় বড় শুকনা ডাল ভেঙে মানুষের জীবন হানির মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয় ব‍্যবসায়ীদের ধারনা। এ ব‍্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে গাছটি অপসারণের দাবী জানিয়েছেন।


‎সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বাজারের কেন্দ্রস্থল মহান্দী-কাশিমনগর সড়কের পাশে ২ টি মৃত  শিশুগাছ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। গাছের অধিকাংশ শুকনা ডাল রাস্তার উপর। গাছের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে খলিলনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ব-দক্ষিণ পাশে খলিলনগর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঝে খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ। গাছের নীচে ঔষধ, ফটোকপি, মুদিখানা ও রেষ্টুরেন্টে রয়েছে। বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা এই দোকানগুলোতে ফটোকপি সহ খাদ্যদ্রব্য কিনতে আসে। ফলে যে কোনো সময় গাছের শুকনা ডাল ভেঙে শিক্ষার্থীদের উপর পড়তে পারে। ঘটতে পারে জীবন হানির মতো ঘটনাও। সবথেকে বড় কথা বৈদ‍্যতিক তার সংশ্লিষ্ট এই গাছটি।


‎স্থানীয় ইউপি সদস্য আওরঙ্গজেব হাওলাদার বলেন, এই শিশুগাছটি ২ বছর ধরে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সরকারী গাছ হওয়ায় ইচ্ছা করে কাটা যাচ্ছে না। সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার গাছটি দেখে অপসারণের কথা বলেছিলেন তবে সময় স্বল্পতার কারনে সেটা সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের দাবী অতি অল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাছটি অপসারণ করা হোক।


‎স্থানীয় চাল কল মালিক সহিদুল ইসলাম বলেন, এই মৃত গাছের জন্য আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। যে কোনো সময় গাছের শুকনা ডাল ভেঙে দোকান পাট ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। গাছের ২ পাশে দুটি স্কুলের ছেলেমেয়েরা এই দোকান গুলোতে কেনাকাটা করে। যদি ডাল ভেঙে বাচ্চাদের গায়ে পড়ে তাহলে জীবন হানির ঘটনা ঘটতে পারে।


‎ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান, কামরুল ইসলাম, আনন্দ ঘোষ ও সজ্ঞয় ঘোষ বলেন, কিছুদিন পূর্বে এই গাছের শুকনা ডাল ভেঙে একটি বাচ্চার গায়ের উপর পড়ে। এতে সে সামান্য আহত হয়। ডালটি তার মাথায় পড়লে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটতে পারতো।


‎খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিকাশ মন্ডল বলেন, পরিষদের সামনে মেইন রাস্তার ধারে গাছগুলো খুবই ঝুঁকিূর্ণ। গাছগুলো অপসারণের জন্য পরিষদের পক্ষ থেকে রেজুলেশন করে নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে জমা দেয়া হলেও আজও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। অতিদ্রুত গাছগুলো অপসারণ না করলে বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে।


‎তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাসান বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে গাছগুলোর বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ##


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com