আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল সানা কর্তৃক দায়েরকৃত হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার দুপুরে খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা) নাজমুল হকের নেতৃত্বে এ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তদন্তকালে সাতক্ষীরা জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোছাঃ সাহানাজ বেগম এবং আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার বড়দল ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় বক্তব্য ও তথ্য সংগ্রহ করেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জগদীশ চন্দ্র সানা অনুপস্থিত থাকায় প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এ বিষয়ে ইউপি সদস্যরা লিখিতভাবে প্রশাসনিক দপ্তরে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দাখিল করেন। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর প্রশাসক হিসেবে মোঃ আক্তার ফারুক বিল্লালকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এ সিদ্ধান্তে প্যানেল চেয়ারম্যান-১ ও আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আফজাল সানা সংক্ষুব্ধ হয়ে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। অপরদিকে স্থানীয় জনগণ ওই রিট পিটিশনের বিরুদ্ধে ভ্যাকেট আবেদন করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, খুলনাকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করে।
তদন্ত শেষে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নাজমুল হক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে রিট পিটিশন মামলার তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এ সময় সকল ইউপি সদস্য ও স্থানীয় জনগণের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য ও মতামত সংকলন করে তা মহামান্য হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে।
https://www.kaabait.com