• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:২০
সর্বশেষ :
নগরঘাটায় গভীর রাতে বাড়িতে হা*ম*লা, স্বামী-স্ত্রীসহ আ*হ*ত ৩ আশাশুনির কমলাপুরে রাফাতের মৃ*ত্যু নিয়ে মানববন্ধন ও বি*ক্ষোভ শ্যামনগরে অ*বৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনের কা*রা*দণ্ড, বাল্কহেড জব্দ শ্যামনগরে সাংবাদিককে হ*ত্যার হু*মকি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন তালায় মাদক-জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, সাংবাদিককে প্রাণনাশের হু*মকি দেবহাটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন ডুমুরিয়ায় বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সীমানা পিলার উদ্ধার কাণ্ডে নতুন মোড়; মামলায় যুবদল নেতার নাম আশাশুনিতে স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ব*হিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হতেই মা*ম*লার স্বাক্ষীকে হু*ম*কি যুবদল নেতার

ডুমুরিয়ার খর্নিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সংঘর্ষের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ৩৫১ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মারামারি ও বিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে।

 

জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর ক্লাস রুটিনকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক আবু মূসা ও জিন্নাত আলি মোড়লের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও বিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং সাধারণ জনগণ ভোগান্তিতে পড়ে। যদিও প্রতিবাদ জানানো শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে সড়ক অবরোধের কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

 

অনেকের মতে, শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য হলেও আন্দোলনের পদ্ধতি আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল। রাস্তা অবরোধের পরিবর্তে মানববন্ধন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কিংবা ক্লাস বর্জনের মতো কর্মসূচি পালন করলে একদিকে জনদুর্ভোগ এড়ানো যেত, অন্যদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আরও ইতিবাচকভাবে আকর্ষণ করা সম্ভব হতো।

 

শিক্ষার্থীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার পরিবেশ বজায় থাকে এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সমর্থন পাওয়া যায়।

 

এদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com