• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮
সর্বশেষ :
সুন্দরবনকে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ঘোষনার লক্ষ্যে কনসালটেশন সভা দেবহাটার চণ্ডীপুরে বেহাল সড়ক, জনপ্রতিনিধিরা নীরব, নিজেদের উদ্যোগেই সংস্কারে গ্রামবাসী শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার শ্যামনগরে দুস্থ অসহায় ও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ নগরঘাটায় উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইবাদুল ইসলামের মতবিনিময় সভা সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী জাতিকে বিভ্রান্ত করছে: ড. মনিরুজ্জামান দেবহাটায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ শ্যামনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, প্রশাসন, বিএনপি ও জামায়াতের পৃথক কর্মসূচি কলারোয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৮৫ বোতল ESKUF সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ডুমুরিয়ার খর্নিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সংঘর্ষের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ৪৩০ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মারামারি ও বিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে।

 

জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর ক্লাস রুটিনকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক আবু মূসা ও জিন্নাত আলি মোড়লের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও বিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং সাধারণ জনগণ ভোগান্তিতে পড়ে। যদিও প্রতিবাদ জানানো শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে সড়ক অবরোধের কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

 

অনেকের মতে, শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য হলেও আন্দোলনের পদ্ধতি আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল। রাস্তা অবরোধের পরিবর্তে মানববন্ধন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কিংবা ক্লাস বর্জনের মতো কর্মসূচি পালন করলে একদিকে জনদুর্ভোগ এড়ানো যেত, অন্যদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আরও ইতিবাচকভাবে আকর্ষণ করা সম্ভব হতো।

 

শিক্ষার্থীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার পরিবেশ বজায় থাকে এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সমর্থন পাওয়া যায়।

 

এদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com