• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১
সর্বশেষ :
দেবহাটায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরের গাবুরায় বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক তালায় মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে পেটাল মাদক কারবারিরা, থানায় জিডি সম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক, দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা শতবর্ষি কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পর্নে বিভিন্ন মন্দিরে ওসির পরিদর্শন সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি

সুন্দরবনে ফের বনদস্যু*দের তাণ্ডব, সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে ৮ জেলে অ*প*হরণ

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর প্রতিনিধি / ১৯৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে আবারও বনদস্যুদের কবলে পড়েছেন ৮ জেলে ও বনজীবী। মাত্র ৯ দিনের ব্যবধানে ফের অপহরণের এ ঘটনায় উপকূলীয় বননির্ভর মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অপহৃতদের মুক্তির জন্য স্বজন ও মহাজনদের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করেছে দস্যুরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি নদীর সুবদের খাল, গুবদের খাল ও ধ্যানোখালীর চর এলাকায় মাছ ধরা ও মধু আহরণের সময় বনদস্যুদের হাতে অপহৃত হন ৮ বনজীবী।

 

অপহৃতরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মীরগাঙ এলাকার নজরুল তরফদার (৪৫) ও আবদুর রহমান (৩৫), ছোট ভেটখালী এলাকার আবদুল হামিদ মোড়ল (৫০), আটুলিয়া ইউনিয়নের আবদুল আলিম (৪০), হাবিবুর রহমান (৪৮) ও আনোয়ারুল ইসলাম (৪২)। এছাড়া খুলনার কয়রা উপজেলার আবদুস সাত্তার (৪০) ও শাহিনুর রহমান (৩৮) রয়েছেন অপহৃতদের তালিকায়।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, সুন্দরবনে মাছ, কাঁকড়া ও মধু আহরণে যাওয়া বনজীবীদের টার্গেট করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বনদস্যু চক্র। অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় এখন যেন তাদের নিয়মিত কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে।

 

এর আগে গত ৪ ও ৫ মে সুন্দরবনের গোয়ালবুনিয়া দুনের মুখ, ধানোখালীর খাল, মাহমুদা নদীর মাথাভাঙা খাল ও মালঞ্চ নদের চালতে বেড়ের খাল এলাকা থেকে ২০ জন জেলে ও মৌয়ালকে অপহরণ করা হয়। পরে প্রায় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তারা মুক্তি পান বলে জানিয়েছে স্বজনরা।

 

সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের অভিযোগ, বনদস্যু নির্মূলে সরকার কঠোর নির্দেশনা দিলেও বাস্তবে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য কমছে না। বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও যৌথ বাহিনীর অভিযান চললেও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনে যেতে হলেও প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

 

এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা মনিরুল করিম বলেন, “বনজীবী অপহরণের বিষয়ে এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জানায়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

 

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “অপহৃতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অনেক ক্ষেত্রে বনজীবীদের স্বজনরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানিয়ে গোপনে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেয়। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com