• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮
সর্বশেষ :
সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার ‎পাইকগাছায় কাজের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় পাড়ি জমাচ্ছে তালায় ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলার আসর, চ্যাম্পিয়নদের জন্য গরু ও ফ্রিজ পুরস্কার তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে সভা দেবহাটায় ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণা উদ্বোধন ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা, শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ ধানদিয়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ,১৮ পূজামণ্ডপে অনুদান

গাজী নজরুলের ভিডিও বি*তর্কের জেরে শ্যামনগরে জামায়াত নেতার পদত্যাগ, এক মণ দুধ দিয়ে গোসল

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর প্রতিনিধি / ২১৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতা দলীয় রাজনীতি ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নূরনগর ইউনিয়নের হরিনাগাড়ী গ্রামে প্রকাশ্যে এক মণ দুধ দিয়ে গোসল করে তিনি এ ঘোষণা দেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

 

দলত্যাগকারী মো. দেলোয়ার হোসেন হরিনাগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নূরনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক ও যুব বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর পিতা মো. মুনসুর সরদার।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে প্রকাশিত ভিডিও বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তিগত নৈতিক অবস্থান থেকে তিনি দলীয় রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তিনি এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে এক মণ দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের রাজনীতি ত্যাগের ঘোষণা দেন।

 

এ সময় মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। একজন কর্মী হিসেবে আমি এই পরিস্থিতি মেনে নিতে পারিনি। তাই বিবেকের তাড়না থেকে জামায়াতে ইসলামীর সব ধরনের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান,দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে কাজ করেছেন। সাম্প্রতিক ঘটনায় আমরাও গভীরভাবে মর্মাহত। এমপি সাহেবের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী প্রমাণিত হলে যথাযথ বিচার হওয়া উচিত।

 

গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সাম্প্রতিক ভিডিও বিতর্কের পর থেকে সাতক্ষীরা জেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নূরনগরের এ ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

 

এবিষয়ে নুরনগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সে আমার ওয়ার্ড কমিটিতে ছিলো তবে বাইতুল মাল সম্পাদক ছিলো কিনা সেটা বলতে পারছি না দেখতে হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com