সুন্দরবনের সংরক্ষিত অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ শিকারের অপরাধে ৮ জেলেকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে বন বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি ডিঙ্গি নৌকা, আনুমানিক ২৫ কেজি সাদা মাছসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত (১৬ অক্টোবর ২০২৬) আনুমানিক সন্ধ্যা ০৭:০০ ঘটিকায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন নোটাবেকী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডেপুটি রেঞ্জার) জনাব আব্দুস সালামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় স্টাফরা রায়মঙ্গল নদীর বাওনে নিয়মিত টহল পরিচালনা করছিলেন। টহলকালীন সময়ে অভয়ারণ্য এলাকার ভেতর অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন মো. জাহিদ হাসান (৪২), পিতা: জুলহাস, মো. মফিজুল গাজী (২৮), পিতা: লিয়াকত আলী গাজী, মো. রবিউল ইসলাম (৪৫), পিতা: আফছার আলী, মো. ইছা সরদার (৩৫), পিতা: আব্দুল সরদার, মো. রিজাউল গাজী (৪৫), পিতা: ফজলু হক গাজী, মো. রইবুল ইসলাম (৩২), পিতা: মো. মুনছুর তরফদার, নাহিদ হাসান (২৮), পিতা: আ. জাহিদ, মো. কওছার গাজী (৩৯), পিতা: জুলহক গাজী আটককৃত সকল আসামির বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পূর্বকৈখালী গ্রামে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. এরফান উদ্দীন বলেন: সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় স্মার্ট পেট্রোলিংসহ নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে। অভয়ারণ্য এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের বিরুদ্ধে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। সুন্দরবনের সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বন আইনে পি.ও.আর (POR) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
https://www.kaabait.com