• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১
সর্বশেষ :
আশাশুনির গুনাকরকাটিতে বিয়ের ধোঁকায় পড়ে স্কুল ছাত্রীর আ^ত্ম*হ*ত্যা আশাশুনিতে নারীকে ধ*র্ষ*ণচেষ্টার অভিযোগে আমান উল্লাহ বিশ্বাস গ্রেফতার শ্যামনগরে ৪ দিন নিখোঁজের পর ধানক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতক শিশুর দায়িত্ব নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন ‎এস ডব্লিউ নিউজ ২৪ ডটকম এর ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত না.গঞ্জে তৃতীয়বারের মত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেন ডিএসবির হুমায়ুন কবির তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন, হাসপাতালের অনিয়ম তদন্তের দাবি সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইউপিডিএফের গুলিবর্ষণ: সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তিন হাজার পর্যটক উদ্ধার ‎পাইকগাছায় কাজের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষ বিভিন্ন জেলার ইটভাটায় পাড়ি জমাচ্ছে

আশাশুনির গুনাকরকাটিতে বিয়ের ধোঁকায় পড়ে স্কুল ছাত্রীর আ^ত্ম*হ*ত্যা

আশাশুনি প্রতিনিধি / ২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় বিয়ের প্ররোচনায় পড়ে ও কাবিননামা আটকে রেখে চাঁদা দাবির ফাঁদে আটকে এক স্কুল ছাত্রীকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামে আনিসুর রহমানের বাড়িতে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্কুলছাত্রী সেতু আক্তার বন্যার সাথে একই এলাকার মৃত সেলিম হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেনের গোপনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিক ইমরান এলাকার চিহ্নিত সুদে কারবারী বাবুল হোসেন সহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে গোপনে বিয়ের আয়োজন করে।

 

বিয়ের পর কাবিননামা নিজের কাছেই রেখে দেয় বাবুল হোসেন। গোপনে স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। কিছুদিন পর ইমরান বন্যাকে স্ত্রী হিসাবে ঘরে তুলতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয়। তখন বন্যা বিয়ের কাবিননামা উদ্ধারে ধর্ণা দিলে দুই লক্ষ টাকা না দিলে কাবিননামা দিতে পারবে না বলে জানায়।

 

বিষয়টি বন্যা তার মাকে অবগত করলে মা রেহেনা খাতুন কাবিননামার কাগজ উদ্ধারে গেলেও একইভাবে ব্যর্থ হন। এ সময় মা ও মেয়েকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন বাবুল হোসেন সহ মানিক গাজীর ছেলের সুজন হোসেন, মিলন হোসেন, বাবুলের ছেলে সাগর হোসেন সহ আরো অনেকে। বিষয়টি ইমরান ও তার পরিবারকে জানালে বন্যার মৃত্যু হলেও বউ হিসাবে ঘরে তুলবে না বলে জানিয়ে দেন তারা।

 

স্বামী ও পরিবারের অবহেলায় শনিবার রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বিষপান করে বন্যা। জানতে পেরে পিতা আনিসুর রহমান দ্রুত মেয়েকে সাতক্ষীররার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে হাসপাতালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সেতু আক্তার বন্যা।

 

পিতা আনিসুর রহমান জানান, মৃত্যুর আগে শেষ কথা আব্বু ওরা সবাই মিলে আমার সাথে বেইমানি করেছে। বেঁচে থাকলে আমি এ মুখ কাউকে দেখাতে পারবো না। তুমি কাউকে ছাড় দিও না।

 

সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করে। সদর থানায় এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। মালা নং ১৩৩। সোমবার বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

 

এদিন বাদ মাগরিব নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

 

এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত ইমরান হোসেনের বক্তব্য পেতে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com