• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫০
সর্বশেষ :
নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ১৭তম ও ১৮তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দুলাভাই বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের গোলাগুলি দেবহাটায় দুই দিনব্যাপী ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গঠন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে গাছগাছালি কর্তন ও দখলের চেষ্টা, আদালতে মামলা বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ডুমুরিয়ায় থানার পাশের ডাকবাংলো এখন ‘ভূতুড়ে বাড়ি’ ধুলিহর শতবর্ষী আছিয়া বেগমের পাশে সদর প্রশাসন,খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন সংবাদকর্মীরা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্ত সংস্কারের অভাবে মরণফাঁদে শাহাপুর-দৌলতপুর সড়ক, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ বিশ্বকাপে মেসির ১৭তম গোল, এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

কুতুবদিয়ায় চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে খাল দখল!

প্রতিনিধি: / ৪০৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হালিমের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে খাল দখল করে মাটি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় ধূরুং বাজারের উত্তর পাশে তিন রাস্তার সংযোগ স্থলে আজম সড়কের কালবার্ট সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পশ্চিমে খালের পূর্ব পাশের বিশাল একটা অংশ দখল করে রেখেছেন উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সিকদার।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এর আগেও ধুরুং বাজার সংলগ্ন পুরাতন খালটি দখল করে সেখানে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন আবদুল হালিম। সরকারি জায়গা দখলের একাধিক  অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তারা জানান, উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ও উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের সংযোগ খালটি ওলুহালি খাল নামে পরিচিত ছিল। খালটির দক্ষিণ পাশে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন। উত্তর পাশে উত্তর ধুরুং ইউনিয়ন। খালের পশ্চিম পাশের বিশাল একটা অংশ দখল করে রেখেছেন উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সিকদার। এখন দুটি স্ক্যাবেটর দিয়ে মাটি কেটে দিনরাত খাল ভরাট করছেন। তাঁর দেখানো পথে অন্যরাও যে যার মতো দখল করে রেখেছেন খালটি। এর আগেও তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে মেনেজ করে খালসহ সরকারি খাস জমি দখল করেছেন। দখলকৃত সেইসব জায়গায় গড়ে তুলেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
খবর নিয়ে জানা যায়, খালটি আমিরার পাড়া, দক্ষিণ ধূরুং অলি পাড়া, প্রদিপ পাড়া হয়ে  পিলটকাটা খালে সংযুক্ত হয়েছে। একসময় খালটি খরস্রোতা ছিল। নৌকা দিয়ে লবণ সহ বিভিন্ন মালামাল আনা-নেওয়া করা হতো এই খাল দিয়ে। এখন খালটি দখল-বেদখলে মৃত প্রায়। বাজারের ময়লা পানি আর দখল দূষণের  ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
এ ব্যবপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম আজকের কক্সবাজারকে বলেন, উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে খাল দখলের অভিযোগটি সত্য। আমরা কুতুবদিয়া বাপার নেতৃবৃন্দরা তার সাথে কথা বলে সেখান থেকে সরে আসতে বলেছি। তিনি স্থানীয় প্রশাসনের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে। খাল দখল থেকে সরে না আসলে আমরা বাপা কুতুবদিয়ার নেতৃবৃন্দরা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনে যাবো।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রভাষক নজরুল ইসলাম বলেন, খাল দখল নিঃসন্দেহে একটি গর্হিত কাজ। আমরা বাপার নেতৃবৃন্দরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি। কুতুবদিয়ার সকল খাল দখল মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহবান জানাচ্ছি।
খাল দখলের বিষয়ে উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সিকদার আজকের কক্সবাজারকে বলেন, আমি উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে খালে মাটি ভরাট করছি। নিজের পকেটের টাকা খরচ যাত্রী ছাউনি তৈরি করতে। সেখানে একটি সীমানা গেইট থাকবে। গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা থাকবে। উপজেলা সিটিজেন পার্কের মতো করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির করবো। পরে প্রকল্প দিয়ে সেই খরচ মেনেজ করার কথা জানান তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জর্জ মিত্র চাকমা জানান, বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন। সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিবেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com