• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫
সর্বশেষ :
৪ সেপ্টেম্বর কবি ও সাংবাদিক কাজী আনিসুল হকের জন্মদিন শ্যামনগরে হাঁটু পানিতে ডুবে আছে গ্রাম, ঘরবাড়ি থেকে বিদ্যালয় এমনকি কবরস্থানও পানির নিচে বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ না.গঞ্জ সদরে সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছে হাবিবুল ইসলাম হাবিব শ্যামনগরে মুরগির ঘর থেকে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার দেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বৃষ্টিতে পাইকগাছায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ পাটকেলঘাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি পারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টা সামাদ গংয়ের

চলতি মৌসুমে ডুমুরিয়ায় আমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ৪৭০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪
ডুমুরিয়ায় আমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি 

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টি
না হওয়ায় আম ঝড়ে পড়েনি। তাই আশানুরূপ ফলন পাওয়া গেলে প্রায় কোটি টাকার আম বিক্রি হবে বলে কৃষি বিভাগের ধারণা ।
জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার বাগানে প্রচুর আম ঝুলছে। মাটি ও আবহাওয়া ভালো থাকে বলে গত কয়েক বছর যাবত হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, মল্লিকা, গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বোম্বাই ও গোপালখাসসহ অন্যান্য জাতের আমের চাষ করা হচ্ছে। এছাড়াও
এখানকার উৎপাদিত আম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ইংল্যান্ড ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানি করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, চলতি বছর ডুমুরিয়া উপজেলার ৪০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে। এতে এ বছর ৩ হাজার ৫০০ টন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

 

সাহস ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মাস্টার নজরুল ইসলাম বলেন, এখানকার আমের চাহিদা পুরো দেশজুড়ে রয়েছে। বিশেষ করে এখানকার হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি বিখ্যাত। আমি গত বছর আমার বাগান প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লোকসান গুনতে হয়েছে। এ বছর বাগান এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আশা করি লাভবান হতে পারব।

 

এলাকার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছর আবহাওয়া খারাপ থাকায় ফলন কম পেয়েছি। ফলে লোকসান গুনতে হয়েছে। এ বছর বেশ ভালো ফলন হয়েছে। বাগান পরিচর্যা, পোকামাকড় মুক্ত করতে ওষুধ প্রয়োগ, ফলনের পর বাজারজাত, শ্রমিকের খরচ সব মিলিয়ে অনেক টাকা খরচ করতে হয়। ফলন ভালো না পেলে খরচ বাদ দিয়ে লাভ করা সম্ভব হয় না। আশা করছি- এ বছর লাভবান হতে পারব।

 

খুলনা বড় বাজারের আড়তদার মতিয়ার রহমান বলেন, বর্তমানে প্রতি মণ কাঁচা আম ১৪০০-১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকাররা গ্রামের চাষিদের কাছ থেকে কম দামে কাঁচা আম কিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছেন। তিনি আরো বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশি দামে আম বিক্রি হবে।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন আমাডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি শেখ মাহতাব হোসেন কে বলেন, গাছে প্রচুর পরিমাণে আম ধরেছে। এ ছর উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সামনে কোনো দুর্যোগ দেখা না দিলে উৎপাদনে রেকর্ড হবে। এখানকার উৎপাদিত আম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ইতালি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মানি ও ইংল্যান্ডে রপ্তানি করা হবে। আর এ উৎপাদনে প্রতি কেজি আমের দাম ৫০ টাকা দর ধরলে প্রায় কোটি টাকার আম বিক্রি হবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com