• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮
সর্বশেষ :
বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় উঠান থেকে উদ্যোক্তা বিষয়ক পথনাটক অনুষ্ঠিত চিংড়িতে জেলি পুশ: ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা, ৮২০ কেজি চিংড়ি বিনষ্ট খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গু*লি: সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের উদ্বেগ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জলবায়ু পরিবর্তন ও বজ্রপাত মোকাবেলায় দেবহাটায় তাল-খেজুরের বনায়ন শুরু উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ কর্মসূচির ঘোষণা তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ইনসেপশন মিটিং অনুষ্ঠিত সমবায়ভিত্তিক মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ ডা*কাতের আত্মসমর্পণ, বিপুল অ*স্ত্র-গোলাবারুদ জমা দাম্পত্য কলহে প্রকাশ পেল হ*ত্যার রহস্য, খুলনায় উঠান খুঁড়ে উদ্ধার ইজিবাইক চালকের কঙ্কাল

মিয়ানমারের জান্তা ফেসবুকে রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে : জাতিসংঘ

প্রতিনিধি: / ৪১৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযান শুরুর আগে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ খুলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ও উসকানিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করা হয়। জাতিসংঘ বলছে, রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে ছিল দেশটির সামরিক জান্তা বাহিনী। জাতিসংঘের এক তদন্তে বিষয়টি উঠে এসেছে। এএফপির বরাতে মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের এক তদন্তে জানা গেছে, হাজারো রোহিঙ্গাকে নির্যাতন করে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার আগে বড় আকারে ফেসবুকে এই জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়। ২০২১ সালের শেষের দিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ফেসবুকের বিরুদ্ধে ১৫ হাজার কোটি ডলারের মামলা করে। তাদের অভিযোগ ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ঘৃণা ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন জাতিসংঘের তদন্তকারী সংস্থা মিয়ানমারের জন্য নিবেদিত স্বাধীন তদন্ত সংস্থা (আইএমএম) বলেছে, তাদের হাতে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ‘পরিকল্পিত ও সমন্বিত’ পদ্ধতিতে ‘রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদেরকে নিয়ে ভয় ও ঘৃণা ছড়িয়েছে। সামরিক বাহিনী এই লক্ষ্য অর্জনে একটি গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে যা লাখ লাখ মানুষের কাছে তাদের বার্তা পৌঁছে যায়।

 

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com