• সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১০:৫৬
সর্বশেষ :
স্বপ্নের কফিন কাঁধে স্বজনদের আহাজারি: লেবাননে নি*হত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসীর বাড়িতে শোকের মাতম রামিসা ধ*র্ষ*ণ ও হ*ত্যা মা*মলায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁ*সি নওয়াপাড়ায় ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী শ্যামনগরের গর্ব ড.খলিলুর রহমান মাদানী বাগেরহাটে সাংবাদিক শিমুলের নামে দায়েরকৃত মা*ম*লা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নগরঘাটায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের পঞ্চমতম ম্যাচ অনুষ্ঠিত লীজকৃত খাল দখলকে কেন্দ্র করে শ্যামনগরে সং*ঘ*র্ষ, বিএনপি কর্মীসহ আহত কয়েকজন দৌলতদিয়ায় পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাস উদ্ধার, আগেই নামিয়ে দেওয়ায় রক্ষা পেলেন ৩৭ যাত্রী ডুমুরিয়ায় চুকনগরে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার জমকালো উদ্বোধন মনিরামপুরে বাপের বাড়ি বেড়াতে এসে সাংবাদিকের স্ত্রীর ওপর হা*ম*লা, ক্ষমা চেয়েও অব্যাহত প্রাণনা*শের হু*ম*কি

মিয়ানমারের জান্তা ফেসবুকে রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে : জাতিসংঘ

প্রতিনিধি: / ৩৪৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযান শুরুর আগে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ খুলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ও উসকানিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করা হয়। জাতিসংঘ বলছে, রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে ছিল দেশটির সামরিক জান্তা বাহিনী। জাতিসংঘের এক তদন্তে বিষয়টি উঠে এসেছে। এএফপির বরাতে মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের এক তদন্তে জানা গেছে, হাজারো রোহিঙ্গাকে নির্যাতন করে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার আগে বড় আকারে ফেসবুকে এই জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়। ২০২১ সালের শেষের দিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ফেসবুকের বিরুদ্ধে ১৫ হাজার কোটি ডলারের মামলা করে। তাদের অভিযোগ ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ঘৃণা ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন জাতিসংঘের তদন্তকারী সংস্থা মিয়ানমারের জন্য নিবেদিত স্বাধীন তদন্ত সংস্থা (আইএমএম) বলেছে, তাদের হাতে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ‘পরিকল্পিত ও সমন্বিত’ পদ্ধতিতে ‘রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদেরকে নিয়ে ভয় ও ঘৃণা ছড়িয়েছে। সামরিক বাহিনী এই লক্ষ্য অর্জনে একটি গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে যা লাখ লাখ মানুষের কাছে তাদের বার্তা পৌঁছে যায়।

 

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com