• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৬
সর্বশেষ :
সাতক্ষীরার ৪টি অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. হুমায়ূন কবিরের সাফল্য সাতক্ষীরায় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা দেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা শ্যামনগরে আর্থ সামাজিক সমৃদ্ধির সাহসী নায়ক নারী চন্দনা রানী সাহস আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল ঘোষণা পাইকগাছায় কোটি টাকার সরকারি খাসজমি দখল করে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ তালায় ৮ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত দেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

মিয়ানমারের জান্তা ফেসবুকে রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে : জাতিসংঘ

প্রতিনিধি: / ৫৬০ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযান শুরুর আগে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ খুলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ও উসকানিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করা হয়। জাতিসংঘ বলছে, রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে ছিল দেশটির সামরিক জান্তা বাহিনী। জাতিসংঘের এক তদন্তে বিষয়টি উঠে এসেছে। এএফপির বরাতে মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের এক তদন্তে জানা গেছে, হাজারো রোহিঙ্গাকে নির্যাতন করে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার আগে বড় আকারে ফেসবুকে এই জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়। ২০২১ সালের শেষের দিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ফেসবুকের বিরুদ্ধে ১৫ হাজার কোটি ডলারের মামলা করে। তাদের অভিযোগ ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ঘৃণা ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন জাতিসংঘের তদন্তকারী সংস্থা মিয়ানমারের জন্য নিবেদিত স্বাধীন তদন্ত সংস্থা (আইএমএম) বলেছে, তাদের হাতে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ‘পরিকল্পিত ও সমন্বিত’ পদ্ধতিতে ‘রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদেরকে নিয়ে ভয় ও ঘৃণা ছড়িয়েছে। সামরিক বাহিনী এই লক্ষ্য অর্জনে একটি গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে যা লাখ লাখ মানুষের কাছে তাদের বার্তা পৌঁছে যায়।

 

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com