• রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪১
সর্বশেষ :
দেবহাটায় র‍্যাবের অভিযানে ১ হাজার বোতল কোরেক্স-ফেন্সিডিলসহ আ*ট*ক ৩ ডুমুরিয়ায় সজিনা চাষে বাম্পার উৎপাদনের সম্ভাবনা শ্যামনগের পদ্মাপুকুরে ভূগর্ভস্থ থেকে অ*বৈধ ভাবে বালু উত্তোলন নিজ দপ্তরেই মা*রা যান খামেনি, কখন মৃ*ত্যু হয়—জানাল ইরান পাইকগাছা পৌরসভায় নোনা পানি উত্তোলন বন্ধে আইনজীবী এফএমএ রাজ্জাকের সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগরে অব্যাহত হু*ম*কি প্রতিবাদে সনাতন সম্প্রদায়ের নারীদের মানববন্ধন মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নি*হত এক, আহত ১ কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত  চু*রি করা গরুর মাংস দিয়ে ইফতার মাহফিল, লজ্জা নিয়ে যুক্তরাজ্য ফিরলেন প্রবাসী কয়রায় মিম জিম ষ্টোর থেকে সরকারি মূল্য সার পেয়ে স্বস্তিতে কৃষক কৃষাণী

মিয়ানমারের জান্তা ফেসবুকে রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে : জাতিসংঘ

প্রতিনিধি: / ২৬১ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযান শুরুর আগে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ খুলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ও উসকানিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করা হয়। জাতিসংঘ বলছে, রোহিঙ্গাবিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে ছিল দেশটির সামরিক জান্তা বাহিনী। জাতিসংঘের এক তদন্তে বিষয়টি উঠে এসেছে। এএফপির বরাতে মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের এক তদন্তে জানা গেছে, হাজারো রোহিঙ্গাকে নির্যাতন করে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার আগে বড় আকারে ফেসবুকে এই জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়। ২০২১ সালের শেষের দিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ফেসবুকের বিরুদ্ধে ১৫ হাজার কোটি ডলারের মামলা করে। তাদের অভিযোগ ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ঘৃণা ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন জাতিসংঘের তদন্তকারী সংস্থা মিয়ানমারের জন্য নিবেদিত স্বাধীন তদন্ত সংস্থা (আইএমএম) বলেছে, তাদের হাতে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর নেপথ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ‘পরিকল্পিত ও সমন্বিত’ পদ্ধতিতে ‘রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদেরকে নিয়ে ভয় ও ঘৃণা ছড়িয়েছে। সামরিক বাহিনী এই লক্ষ্য অর্জনে একটি গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে যা লাখ লাখ মানুষের কাছে তাদের বার্তা পৌঁছে যায়।

 

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com