• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩
সর্বশেষ :
সুন্দরবনে অবৈধভাবে মাছ শিকার: ৮ জেলে গ্রেপ্তার, ২টি নৌকা ও মাছ জব্দ বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ সখিপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার শেখ আবু হাসান সাঈদের শিক্ষার মান উন্নয়নে শ্যামনগরে মতবিনিময় সভা তালায় কলেজছাত্রীকে নিয়ে আ*ত্ম*গোপনের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে ডেঙ্গু বিষয়ক প্রচারণা বড়খামারে মসজিদের মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময় ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেবহাটার আলোচিত শামীম হ*ত্যা: থানায় মা*মলা, এজাহারনামীয় দুই আসামি গ্রেপ্তার তালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পি*টিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ

শ্যামনগরের গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ি রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য, আড়াই কোটি টাকা বিলীন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৪১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য

শ্যামনগর গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ী ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নির্মিত রাস্তাটি ৩ মাসেই চলাচলের অযোগ্য।শ্যামনগর গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩ ফেব্রয়ারি, আড়াই কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়, নিমার্নে বরাদ্ধ পান বাঘের হাটের শোহেল নামের এক ঠিকাদার।
বরাদ্ধর শুরুতে নিন্ম মানের ইট, খোয়া,সিমেন্ট ও নোনা বালুর মিশ্রণে কাজ চলাকালীন, পত্রিকায় অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়।  নির্মান কাজ তত্বাবধায়নের দায়িত্বে থাকে তৎকালীন উপ সহকারী প্রকৌশলী কে, এম শহিদুল ইসলাম।
সংবাদ প্রকাশের পর তৎকালীন উপ সহকারী প্রকোশলী শহিদুল সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলেন, কাজটি খুলনা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শেখ পরিবারের সদস্য শেখ হেলালের ভাই শেখ শোহেলের। এমন হুমকিতে পরবর্তীতে সংবাদ পরিবেশন বন্ধ হয়ে যায়। যেনতেন কাজ করে বেশীরভাগ টাকা আত্বস্বাতের অভিযোগ ও উঠে।
কাজটি সমাপ্ত হয় ২০ জুন ২০২২ সালে। সমাপ্তর ৩ মাস যেতে না যেতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় ভাঙ্গন। বর্তমানে ২ বছর যেতে না যেতেই রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ইট খোয়া উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অযোগ্য হয়েছে মানুষ ও যান চলাচলে। এলাকাবাসি বলছে, এর জন্য দায়ী প্রকৌশলীর দায়িত্ব থাকা উপ সহকারী প্রকৌশলী কে, এম, শহিদুল ইসলাম।
সোয়ালিয়ার এক দোকানী সিরাজ বলেন, নির্মানে অনিয়ম দেখে আমি প্রকৌশলীকে বলে ছিলাম নিয়মানুযায়ী কাজ করার জন্য। তিনি আমাকেও শেখ হেলালের কথা বলে হুমকি দেন।
সোয়ালিয়ার ইউপি সদস্য মাসুদ বলেন, রাস্তার অনিয়ম দেখে আমি কাজ করতে বাধা দিলে আমাকে সে হুমকি দেন যে মামলা দিয়ে হয়রানী করার। তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যানকে এলাকাবাসী জানালে তিনিও এ বিষয়ে কথা না বলার হুমকি দেন। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কে নেবে সরকারের এই আড়াই কোটি টাকার দায়িত্ব।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com