• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪
সর্বশেষ :
৪ সেপ্টেম্বর কবি ও সাংবাদিক কাজী আনিসুল হকের জন্মদিন শ্যামনগরে হাঁটু পানিতে ডুবে আছে গ্রাম, ঘরবাড়ি থেকে বিদ্যালয় এমনকি কবরস্থানও পানির নিচে বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ না.গঞ্জ সদরে সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছে হাবিবুল ইসলাম হাবিব শ্যামনগরে মুরগির ঘর থেকে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার দেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বৃষ্টিতে পাইকগাছায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ পাটকেলঘাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি পারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টা সামাদ গংয়ের

শ্যামনগরে গ্রামবাসীর অভিযোগে বালু উত্তোলন বন্ধ করলো প্রশাসন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪১৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
বালু উত্তোলন

সাতক্ষীরা শ্যামনগর নুরনগর হাবিবপুর শিয়া মসজিদ সংলগ্ন রামচন্দ্রপুর এলাকার জনবসতি ও মিষ্টি পানির খালে বালু উত্তোলনের ড্রেজার মেশিন দিয়ে ভূগর্ভস্থ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার সময় গ্রামবাসীর অভিযোগের পরি প্রেক্ষিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন।

 

 

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুস সামাদ বলেন, রামচন্দ্রপুর সরকারি খালের দু- পাশে স্থানীয়দের বসবাস, এছাড়া ঐ খালের পানি দিয়ে ঐ এলাকার কৃষি জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলানো হয়, বালু উত্তোলন করলে খালের পাড় ভেঙ্গে বসতবাড়ি ও পরিবেশের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে। পরিবেশগত কারনে এলাকাবাসী জনৈক তুহিন ঠিকাদারকে বার বার অনুরোধ করেও বিফল হলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ নিতে বাধ্য হন এলাকাবাসী।

 

খালপাড়ের বসবাস কারী আকলিমা খাতুন ও নুরুন্নাহার বেগম বলেন,তারা দীর্ঘদিন ধরে খালের দুপারে বসবাস করছেন ,জনবসতি এলাকার খাল থেকে বালু উত্তোলন করলে তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়বে।

 

ওই এলাকার কলেজ শিক্ষক রোকনুজ্জামান বলেন, রামচন্দ্রপুর খালের দুপাশে অনেক মানুষের বসবাস ,এখান থেকে ড্রেজার মেশিন দ্বারা বালু উত্তোলন করলে খালের দুই পাড় ভেঙে পড়বে, এতে খালের পাড়ে বসবাসকৃত মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারণে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় এবং প্রশাসনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন বন্ধ করায় ঠিকাদার জনৈক আব্দুর রহিম কে দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে মামলা দিয়ে হয়রানি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

স্থানীয় নুরনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বলেন, তিনি এ্যাসিল্যান্ডের নির্দেশে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে বাধ্য হযেছেন। সংশ্লিপ্ত ঠিকাদার তুহিন হোসেন বলেন, বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। এদিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, অবৈধভাবে জনবসতি এলাকা থেকে পরিবেশ নষ্ট করে কাউকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবে না।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com