• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৯
সর্বশেষ :
ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার শ্যামনগরে দুস্থ অসহায় ও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ নগরঘাটায় উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইবাদুল ইসলামের মতবিনিময় সভা সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী জাতিকে বিভ্রান্ত করছে: ড. মনিরুজ্জামান দেবহাটায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ শ্যামনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, প্রশাসন, বিএনপি ও জামায়াতের পৃথক কর্মসূচি কলারোয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৮৫ বোতল ESKUF সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশাশুনিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত মালচিং পেপারে তালায় অমৌসুমী তরমুজ চাষে সাফল্য, ২১ বিঘায় ২৮ কৃষকের স্বপ্ন

ঈদকে ঘিরে দেবহাটার দর্জিদের ব্যস্ততা, রাত জেগে চলছে পোশাক তৈরির কাজ

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৮৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
Oplus_131072

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা জুড়ে দর্জিদের মধ্যে চলছে ব্যস্ত সময়। বসন্তের হালকা বাতাসকে ছাপিয়ে উপজেলার অলিগলি ও বাজার এলাকায় এখন ভেসে আসছে সেলাই মেশিনের খটখট শব্দ। উৎসবের আনন্দকে নতুন পোশাকে রূপ দিতে স্থানীয় দর্জিরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন।

 

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই উপজেলার বিভিন্ন দর্জিপাড়া ও টেইলার্স দোকানগুলোতে বাড়ছে কাজের চাপ। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ সেলাই করছেন, আবার কেউ পোশাকের শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

উপজেলার ঈদগাহ বাজারের দর্জি আবুল বাশার ও আনোয়ার হোসেনসহ অনেকেই জানান, ঈদ উপলক্ষে পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, শার্ট, ফ্রকসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরির অর্ডার কয়েকগুণ বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্ডার সরবরাহ করতে অনেককেই গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে।

 

দর্জি আবুল বাশার বলেন, “ঈদের আগে কাজের চাপ অনেক বেশি থাকে। এখন প্রতিদিনই গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা সময়মতো তাদের পোশাক পেয়ে যান।”

 

অন্যদিকে ক্রেতারাও পছন্দের ডিজাইন নিয়ে ভিড় করছেন দর্জির দোকানগুলোতে। অনেকেই আগেভাগেই অর্ডার দিয়ে রাখছেন, যাতে ঈদের আগেই নতুন পোশাক হাতে পাওয়া যায়।

 

সব মিলিয়ে ঈদকে ঘিরে দেবহাটা উপজেলার দর্জিপাড়াগুলোতে এখন চলছে কর্মচাঞ্চল্য। সেলাই মেশিনের ছন্দ আর ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। বাজারে যেমন তৈরি পোশাকের ভিড়, তেমনি ফিটিং ও নিজস্ব পছন্দের কারণে দর্জিবাড়িতেও উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

 

তবে উৎসবের এই ব্যস্ততার মাঝেও কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করছে বাড়তি মজুরি। বর্তমানে থ্রি-পিস সেলাই ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শার্ট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং প্যান্ট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় করা হচ্ছে।

 

কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ ক্রেতাদের কণ্ঠে ফুটে উঠছে টানাপোড়েনের সুর। এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, “পোশাকের দাম আর সেলাই মজুরি দুটোই বাড়ছে, কিন্তু আমাদের আয় তো আগের জায়গাতেই রয়েছে।”
তবুও উৎসবের আনন্দকে ঘিরে সাধ্য আর সাধের এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় হচ্ছে নতুন পোশাকের আকাঙ্ক্ষারই।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com