• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭
সর্বশেষ :
সম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক, দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা শতবর্ষি কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেবহাটায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পর্নে বিভিন্ন মন্দিরে ওসির পরিদর্শন সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডি পাটকেলঘাটায় শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ দুই বছর পর সাতক্ষীরায় ৩শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা শুরু শ্যামনগরে পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ কেটে অবৈধ নাইন্টি পাইপ, কৃষিজমি ও বাঁধ নিয়ে শঙ্কা আতঙ্কিত এলাকাবাসী শ্যামনগরে ছেলে ও পৌত্রের শাররীক নির্যাতনে হাসপাতালে ৮০ বছরের বৃদ্ধ

পাইকগাছায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ওলকচু চাষ

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি  / ৪৬৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪
জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ওলকচু চাষ

পাইকগাছায় কম খরচে বেশি ফলন পাওয়ায় বাণিজ্যিক ভিত্তিক ওলকচুর চাষ দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পাইকগাছা উপজেলার মাটি ওলকচু চাষের উপযোগী। চলতি বছর  উপজেলাতে প্রায় ৩ হেক্টর জমিতে ওলকচু চাষাবাদ করেছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, চৈত্র মাসে জমিতে ওল কচুর বীজ রোপণ করতে হয়। ওল কচুর পূর্ণতা পেতে পুরো ৬ মাস সময় লাগে। সেই হিসেবে জমি থেকে ভাদ্র মাসে ওল কচু উত্তোলন করা যাবে। এ সময়ে ওলকচু চারা ওজনের ৪/৫ গুন বৃদ্ধি পেয়ে একেকটি ওলকচু ৮/ ১০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাণিজ্যিক ভাবে চাষাবাদ করা ওলকচু অত্যন্ত সুস্বাদু। কোন রকম গলা জ্বালা করে না। এ কারণে বাজারে এ ফসলের চাহিদা রয়েছে অনেক।
সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের হিতামপুরর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ২০শতাংশ জমিতে মাদ্রাজী শ্বেতী জাতীয় ৪০০টি ওলকচু চাষাবাদ করেছেন। নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে ওলকচুর গাছগুলো ২/৩ হাত লম্বা হয়েছে। ওলকচু  চাষি রফিকুল বলেন,  ২০ শতাংশ জমি থেকে প্রায় ১০০মণ ওলকচু বিক্রি করতে পারবো। কচুর পাশাপাশি বীজও সংগ্রহ করে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি। বর্তমান বাজারে ওলকচুর চাহিদা ব্যাপক রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ওল কচু গাছে তেমন কোনো রোগ হয় না, তবে পাতা ও কাণ্ড পচা রোগ দেখা যেতে পারে। ওলকচুর ক্ষেত্রে কীট পতঙ্গ তেমন কোন সমস্যা নেই। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, গোড়া উঁচু করে দেয়া ও গোড়ায় খড় বা আচ্ছাদন দিয়ে ঢেকে দিলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। জৈব সার বেশি ব্যবহার করা ভালো। তবে রাসায়নিক সার যেমন ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি সারও কিছু দেওয়া যায়। গাছ লাগানোর ৭-৯ মাস পর যখন ৮০% গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাবে, তখন ওল সংগ্রহ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি আফিসার কৃসিবিদ অসিম কুমার দাশ বলেন, সঠিক পরিচর্যা অব্যাহত রেখে চাষ করলে ওলকচু চাষিরা  প্রতি শতাংশে ৫/৬মন ওলকচু সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে তাদের সংসারে যেমন সচ্ছলতা আসছে তেমনি কৃষকরা ওল চাষের প্রতি দিন দিন আগ্রহী উঠছেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com