• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:১৭
সর্বশেষ :
হাতের মেহেদীর রং শুকানোর আগেই বিধবা হলো সদ্য বিবাহিত গৃহবধূ তানিয়া খাতুন শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরে বি*ষ প্রয়োগের অ*ভিযো*গ: দিশেহারা মৎস্য চাষী দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা সখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার, সময়মতো মিলছে না খাবার দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত না.গঞ্জে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি চলমান সমাজকল্যাণ সহায়তা কর্মসূচি প্রথম বর্ষ সমাপ্তি ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতছে ইরান, এই খবরে ইউরোপের বাজারে চরম হাহাকার পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক নারায়ণগঞ্জে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

আটোয়ারীতে ৪৯০ টাকা দিতে না পারায় পিতৃহারা দাখিল পরীক্ষার্থীর  প্রবেশপত্র আটকে দিল মাদ্রাসা কতৃপক্ষ 

প্রতিনিধি: / ৩৯২ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সাইদুজ্জামান রেজা,পঞ্চগড়ঃ টাকা দিতে না পারায় পিতৃহারা দাখিল পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আটকে দিল মাদ্রাসা কতৃপক্ষ।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।বিভাগ বুঝে নেয়া হচ্ছে ৪১০-৪৯০ টাকা। টাকা না দিলে আটকে রাখা হচ্ছে প্রবেশপত্র। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।তারা সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন।
জানা যায়, লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ২০২৪ সালে দাখিল পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করছে ৬১ জন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরুর কথা রয়েছে।এরিমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেয়া হচ্ছে প্রবেশপত্র।
রেশমি আক্তার, রানী আক্তার, রুবিনাসহ কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানায়, সিরাজুল ইসলাম স্যার বলছেন, প্রবেশপত্র ৪১০ টাকার একটাকা কম হলে দিবনা। কম টাকায় নিতে চাইলে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে নাও।
বীথি আক্তারের বাবা খাতিজুল ইসলাম বলেন, প্রবেশপত্রের জন্য ৩০০ টাকা আনছি কিন্তু দিচ্ছেনা। তাদেরকে ৪৯০ টাকা লাগে,এর কমে দিবেনা বলেছেন।
পরীক্ষার্থী মাহাফুজা আক্তারের বাবা মেজাম্মেল হক জানান,প্রবেশপত্র নিতে ৪৯০ টাকা লাগে, দিতে না পারায় বাড়িতে ঝগড়া।আমরা দিন আনি দিন খাই। পিতৃ হারা এতিম
পরীক্ষার্থী নাজমুল হক বলেন, টাকা না দিলে কাউকে এবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না স্যার বলছেন। আমার কাছে ৪৯০ টাকা চেয়েছে, দিতে পারিনি।পরে যাইতে বলেছেন।আমার বাবা নাই।এর আগে অনেক কষ্ট করে ফরম ফিলাপ করেছি।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকার জানান,আমার কাছে চিঠি আছে,প্রবেশপত্রের জন্য অর্থ নিচ্ছি না।অর্থ কেন্দ্র ফি বাবদ নেয়া হচ্ছে।
আটোয়ারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুল কবির মো.কামরুল হাসান জানান, প্রবেশপত্র বাবদ অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার কোন সুৃযোগ নাই।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com