• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১
সর্বশেষ :
সুন্দরবনে অবৈধভাবে মাছ শিকার: ৮ জেলে গ্রেপ্তার, ২টি নৌকা ও মাছ জব্দ বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ সখিপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তরের অঙ্গীকার শেখ আবু হাসান সাঈদের শিক্ষার মান উন্নয়নে শ্যামনগরে মতবিনিময় সভা তালায় কলেজছাত্রীকে নিয়ে আ*ত্ম*গোপনের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে ডেঙ্গু বিষয়ক প্রচারণা বড়খামারে মসজিদের মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময় ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেবহাটার আলোচিত শামীম হ*ত্যা: থানায় মা*মলা, এজাহারনামীয় দুই আসামি গ্রেপ্তার তালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পি*টিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ

জয়া মাদরাসা ছাত্রদের করুণ কাহিনী তুলে ধরলেন

প্রতিনিধি: / ৪১৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪

বিনোদন: এই তো কদিন আগে হাতির উপর নির্যাতন বন্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জয়া আহসান। তার ফলও পেয়েছেন জয়া। এবার তিনি কথা বললেন কওমি মাদ্রাসার বাচ্চাদের নিয়ে। যদিও কথা তিনি বলেননি। বলেছে অন্য কেউ। যেহেতু তিনি শেয়ার করেছেন, তাই সেই বক্তব্যকে জয়ার বক্তব্যও বলা যায়। পোস্টটিতে লেখা হয়েছে, ‘রোজার শেষ দিকে বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোতে এক করুণ দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ২৫ রোজা থেকে মাদ্রাসাগুলো ছুটি হতে থাকে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক এসে বাচ্চাদের বাসায় নিয়ে যায়। কিন্তু একদল বাচ্চাকে কেউ নিতে আসে না।’এতে আরও বলা হয়, ‘এদের কারও বাবা-মা নেই, কারও বাবা নেই মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা বাচ্চার খোঁজ রাখে না। খুব বেশি ভাগ্যবান হলে কারও কারও মামা-খালা-চাচা এসে কাউকে কাউকে নিয়ে যায়। বাকীরা সারাদিন কান্না করে।’পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘তারা জানে তাদের কেউ নিতে আসবে না। তারা সারাবছর কাঁদে না। কিন্তু যখন সহপাঠীদের সবাই বাসায় নিয়ে যায় অথচ তাদের কেউ নিতে আসে না তখন তাদের দুঃখ শুরু হয়ে যায়।’সবশেষে দেখা যায়, ‘মৃত মা-বাবার ওপর তাদের অভিমান সৃষ্টি হয়- কেন তারা তাদের দুনিয়ায় রেখে এই বয়সে মারা গেলেন? তারা কি আর কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে পারতেন না? মা বাবা বেঁচে নাই তো কী হইছে? মামা চাচারা কেউ তাদেরকে নিতে আসল না কেন? মা বেঁচে থাকতে মামারা কত আদর করত! বাবা বেঁচে থাকতে চাচারা কত আদর করত! এই বয়সেই তারা দুনিয়ার একটা নিষ্ঠুর চেহারা দেখেছে। সবাইকে অনুরোধ করে বলা হয়েছে, ‘একটা অনুরোধ-এই ঈদে আপনার কাছাকাছি এতিমখানায় যান। কয়জন বাচ্চা ঈদে বাড়ি যায় নি খোঁজ নিন। তাদের জন্য আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারেন তা নিয়ে যান। এই গরমে তাদের আইসক্রিম খাওয়াতে পারেন। নিদেন পক্ষে একটা চকলেট খাওয়ান। মনে রাখবেন, আজ আপনি বেঁচে না থাকলে আপনার ছোট সন্তান এতিম হয়ে যাবে! আমি ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব যদি আল্লাহ সহায়ক হয়।’

 


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com