• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯
সর্বশেষ :
তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যের প্রতিবাদে সভা দেবহাটায় ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারণা উদ্বোধন ইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা, শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমী সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের নিয়ে চিকিৎসকের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ ধানদিয়া ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ,১৮ পূজামণ্ডপে অনুদান সাতক্ষীরার আলিপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ দেহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম তালায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯.২৪ শতাংশ পোশাক রপ্তানি কমেছে

প্রতিনিধি: / ২৪৩৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৪

অর্থনীতি: চলতি বছরের প্রথম দুই মাস জানুয়ারি ও ফেব্রæয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে ১১৮ কোটি ৬২ লাখ ডলারেরও বেশি পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা ২০২৩ সালের প্রথম দুই মাসের তুলনায় ১৯.২৪ শতাংশ কম। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অধীন অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটেক্সা) পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। দেশভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আলোচ্য দুই মাসে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়েছে। এ দুই মাসে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির অর্থমূল্যে বেড়েছে দশমিক ৪৮ শতাংশ আর পরিমাণে বেড়েছে ১৪.৯৪ শতাংশ। একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির অর্থমূল্য বেড়েছে দশমিক ১৪ শতাংশ আর পরিমাণে বেড়েছে ৪.৮১ শতাংশ। একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। পোশাক রপ্তানিকারকেরা বলছেন, সা¤প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। এই বাড়তি চাহিদা ধরেছেন চীন ও ভিয়েতনামের ব্যবসায়ীরা। তুলনামূলক পিছিয়েছে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারি-ফেব্রæয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির অর্থমূল্য ছিল ১৪৭ কোটি ডলার। ২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রæয়ারিতে আমদানি হয়েছে ১১৮ কোটি ৬২ লাখ ডলারের কিছু বেশি। বিশ্ববাজার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ২০২৩ সালের প্রথম দুই মাসের তুলনায় ২০২৪ সালের প্রথম দুই মাসে কমেছে ৭.৭৭ শতাংশ। ওটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির তৃতীয় সর্বোচ্চ উৎস ছিল বাংলাদেশ। মোট আমদানিতে বাংলাদেশের হিস্যা দাঁড়িয়েছে ৯.১২ শতাংশ। চীন ও ভিয়েতনামের অবদান ছিল যথাক্রমে ২১.২৬ ও ১৮.৪৬ শতাংশ। এ বিষয়ে উদ্যোক্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধির সুবিধা নিতে পারছে না বাংলাদেশ। বিষয়টিকে নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় নেওয়া উচিত। ওটেক্সার তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে কম্বোডিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির অর্থমূল্য ছিল ৫৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার, ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় যা ১৫.৩৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে ১৩.৭৫ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে ১৭.২৫ শতাংশ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com