• মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫০
সর্বশেষ :
রূপান্তর ও সাতক্ষীরা পৌরসভার মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষথেকে নবনির্বাচিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে সংবর্ধনা ভোমরা স্থলবন্দরে শ্রমিকদের জন্য ভ্রাম্যমাণ নামাজের স্থান উদ্বোধন, স্থায়ী মসজিদের দাবি ধুলিহর মাটিয়াডাঙ্গায় মৎস্য ঘেরে হা*মলার ঘটনায় আ*হত এক সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় ছু*রি*কা*ঘাতে যুবক নি*হত, আটক ৪ শ্যামনগরে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের হাতে ঝাড়ু, পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিস, পদোন্নতিপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তালায় জমিতে ধানের চারা রোপণ, দখ*লচেষ্টার অভি*যোগ ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বড় ভাইয়ের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

দেবহাটায় ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি / ৩৭৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪
দেবহাটায় ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত

আধুনিক সভ্যতা ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্যকে বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে দেবহাটা উপজেলায় সখিপুর ইউনিয়নের অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। বিলুপ্ত প্রায় এ লাঠি খেলা ঢাক-ঢোলের বাজনা আর গানের সুরের তালে তালে চলে লাঠিয়ালদের লাঠির কসরত। খেলায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা করে পাল্টা আঘাত করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন লাঠিয়ালরা। হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা দেখতে সেখানে ভীড় জমায় হাজরো দর্শক।

১৫ই মে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন ধোপাডাঙ্গা মোড় প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় এ লাঠি খেলার।এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বয়ে যায় পুরো এলাকায়। এমন আয়োজন যেন প্রতি বছর হয় এমন দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আয়ুব হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিথি ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী জি এম স্পর্শ ।

 

সংবাদিক রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের প্রভাষক আবু হাসান। অনুষ্ঠান দেখতে আসা সাইন নামে একজন বলেন, লাঠি খেলা হচ্ছে গ্রাম বাংলার প্রাণের খেলা। কিন্তু আধুনিকতার নামে এসব খেলা দিনে দিনে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরণের খেলাধুলার বেশি বেশি আয়োজন করলে নতুন প্রজম্মের ছেলে-মেয়েরা উৎসাহিত হবে।আরো বলেন আমাদের বাপ-দাদারা এসব খেলা খেলতো। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গা গিয়ে লাঠি খেলা খেলেছে। কিন্তু সময় বদলের সাথে সাথে লাঠিয়ালদের কদরও কমে গেছে।

 

এখন খেলা খুব একটা হয় না। মাঝেমধ্যে ডাক পড়লে মনে আনন্দ নিয়েই এই খেলা খেলি। এ খেলা বাঁচিয়ে রাখতে হলে বেশি বেশি খেলার আয়োজন করা দরকার। সখিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রামীণ খেলাধুলা কমে যাওয়ায় যুব সমাজ মাদকের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। তাই যুব সমাজকে মাদকের পথ থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন করা প্রয়োজন। গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই প্রতি বছরই এ ধরেনর আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com