• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৮:৪৮
সর্বশেষ :
শ্যামনগরে কা*লবৈশাখী ঝড়ে গাছ পড়ে শিশুর ম*র্মা*ন্তি*ক মৃ*ত্যু ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত পবিত্র ঈদুল আজহা আজ পবিত্র ঈদুল আযহায় সখিপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মঈন উদ্দীন ময়না তালায় ভ*য়া*বহ সড়ক দু*র্ঘট*না, প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর শ্যামকুড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম আন্তর্জাতিক স্পাইন সম্মেলনে বাংলাদেশের চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান যুগীপোতায় ধান ও বিচলীর গাদায় আগুন দিয়ে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ  শ্যামনগর পাংসের খাল পুনঃখনন কাজে বাধা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন চোরের দায়ে ‘হাজতে’ অবলা গরু! কয়রায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ডুমুরিয়া বাজার গুলোতে মৌসুমী ফলের দাম অস্থিতিশীল

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি  / ৩০৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
মৌসুমী ফলের দাম অস্থিতিশীল

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে মৌসুমি বিভিন্ন প্রজাতির ফল।যশোর এবং অভয়নগরের অলিগলি থেকে শুরু করে সড়ক, মহা সড়কের পাশে সর্বত্র মৌসুমি ফল বিক্রি হচ্ছে। আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস, তরমুজ, বাঙ্গি, জামরুল, বেল ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন দেশীয় রসালো ফল বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারাও আকৃষ্ট হচ্ছেন। তবে পাইকারি ও খুচরা বাজারে ফলের দামে বিস্তর ফারাক লক্ষ্য করা গেছে। খুচরা বাজারের অধিকাংশ ফলের দাম পাইকারি আড়ৎ এর প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীরা ঘূর্ণিঝড় রেমালকে দায়ী করছে।

 

খুচরা বাজারের ব্যাবসায়ীরা বলছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে নষ্ট হয়েছে লিচু,আম,জাম,জামরুল সহ অনেক মৌসুমী ফল।ঝড়ের প্রভাবে গাছ থেকে ঝরে গেছে ফল,নষ্ট হয়ে গেছে মোট ফলের এক তৃতীয়াংশ,যার কারণে বাজারে মৌসুমী ফলের সংকটের সাথে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ভরা মৌসুম হওয়ায় বাজারে আম, জাম ও লিচুর আধিক্যই বেশি দেখা গেছে।

 

স্থানীয় আড়ৎদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- সেখানে প্রতি কেজি হিমসাগর আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ল্যাংড়া আম বাজারে কম থাকলেও ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে যশোর এবং ডুমুরিয়া খুচরা বাজারগুলোতে প্রায় দ্বিগুণ দামে এ আম বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

চুকনগর বাজারে আম ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, খুচরা বাজারে হিমসাগর কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা, ল্যাংড়া আম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং গোপাল ভোগ ১২০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

উপজেলার সোনাতলা বাজারের মৌসুমী ফল ব্যাবসায়ী মোঃ এনামুল বলেন, পাইকারি বাজার থেকে ফল আনতে অনেক খরচ হয়। ঘাটে ঘাটে টাকা দিতে হয়। গাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন খরচ দিয়ে আমাদের আর খুব বেশি লাভ হয় না। এছাড়া দেশি ফল বেশি দিন রাখা যায় না। শুরুতে দাম একটু বেশি থাকলেও শেষের দিকে কম দামে বিক্রি হয়। খবর নিয়ে জানা যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারী আড়ৎ গুলোতে ১০০ লিচু বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। অথচ যশোর সহ ডুমুরিয়ায় খুচরা বাজারে লিচু বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫০০ টাকায়। তবে যশোরের বসুন্দিয়া এলাকায় ১০০ লিচু সর্বোচ্চ ৪০০- ৪২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে জাতীয় ফল কাঁঠাল পাইকারিতে বড় আকারের ২৮০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ সেই কাঁঠাল খুচরা বাজারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 

ডুমুরিয়ায় বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- হাইব্রিড জাতের পেয়ারা প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা বিক্রি হলেও দেশি পেয়ারা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। জামরুল ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কালো জাম মানভেদে ১৮০ থেকে ২৪০ টাকা ও প্রতিটি বেল ২৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  এছাড়া আনারসের বাজারেও সরবরাহের কমতি নেই। খুচরা বাজারগুলোতে আকারভেদে এসব আনারস বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ টাকা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com