• শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩
সর্বশেষ :
ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক লাইভে আব্দুল্লাহ আল জাবের ধুলিহরে মানবকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ফতুল্লায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠিত সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ শ্যামনগরে বিজিবির অভিযানে এয়ারগান ও গু*লিসহ অ*স্ত্র উদ্ধার এনআইডি দিয়েই জানুন আপনার ভোটকেন্দ্রের নাম ও নম্বর সাতক্ষীরা-২ আসনে মিছিল–মিটিং ছাড়াই ভোটারের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন সাবেক এমপি আশু যেভাবে জানা যাবে ভোট কেন্দ্রের নাম নির্বাচিত হলে পূর্বের এম,পি,দের মতো অসম্মানিত করবো না-ড. মনিরুজ্জামান তালা–কলারোয়ার উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিন: কুমিরায় হাবিব

শ্যামনগরের গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ি রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য, আড়াই কোটি টাকা বিলীন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২২১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য

শ্যামনগর গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ী ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নির্মিত রাস্তাটি ৩ মাসেই চলাচলের অযোগ্য।শ্যামনগর গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩ ফেব্রয়ারি, আড়াই কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়, নিমার্নে বরাদ্ধ পান বাঘের হাটের শোহেল নামের এক ঠিকাদার।
বরাদ্ধর শুরুতে নিন্ম মানের ইট, খোয়া,সিমেন্ট ও নোনা বালুর মিশ্রণে কাজ চলাকালীন, পত্রিকায় অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়।  নির্মান কাজ তত্বাবধায়নের দায়িত্বে থাকে তৎকালীন উপ সহকারী প্রকৌশলী কে, এম শহিদুল ইসলাম।
সংবাদ প্রকাশের পর তৎকালীন উপ সহকারী প্রকোশলী শহিদুল সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলেন, কাজটি খুলনা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শেখ পরিবারের সদস্য শেখ হেলালের ভাই শেখ শোহেলের। এমন হুমকিতে পরবর্তীতে সংবাদ পরিবেশন বন্ধ হয়ে যায়। যেনতেন কাজ করে বেশীরভাগ টাকা আত্বস্বাতের অভিযোগ ও উঠে।
কাজটি সমাপ্ত হয় ২০ জুন ২০২২ সালে। সমাপ্তর ৩ মাস যেতে না যেতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় ভাঙ্গন। বর্তমানে ২ বছর যেতে না যেতেই রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ইট খোয়া উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অযোগ্য হয়েছে মানুষ ও যান চলাচলে। এলাকাবাসি বলছে, এর জন্য দায়ী প্রকৌশলীর দায়িত্ব থাকা উপ সহকারী প্রকৌশলী কে, এম, শহিদুল ইসলাম।
সোয়ালিয়ার এক দোকানী সিরাজ বলেন, নির্মানে অনিয়ম দেখে আমি প্রকৌশলীকে বলে ছিলাম নিয়মানুযায়ী কাজ করার জন্য। তিনি আমাকেও শেখ হেলালের কথা বলে হুমকি দেন।
সোয়ালিয়ার ইউপি সদস্য মাসুদ বলেন, রাস্তার অনিয়ম দেখে আমি কাজ করতে বাধা দিলে আমাকে সে হুমকি দেন যে মামলা দিয়ে হয়রানী করার। তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যানকে এলাকাবাসী জানালে তিনিও এ বিষয়ে কথা না বলার হুমকি দেন। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কে নেবে সরকারের এই আড়াই কোটি টাকার দায়িত্ব।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com