• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১
সর্বশেষ :
নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত সুন্দরবনে কাকড়া স্বীকার করে আসার সময় বনদস্যুদের গু*লিতে আহত জেলে সাতক্ষীরা সদর থানায় পুলিশ সুপারের পরিদর্শন, গার্ড অব অনার ও দিকনির্দেশনা প্রদান ঢাকার পল্লবী থেকে কু*খ্যা*ত স*ন্ত্রা*সী বাহার আলী গ্রেফতার প্রখর রোদ উপেক্ষা করে মাঠে দাঁড়িয়ে ডিজেল বিতরণ করলেন কৃষি কর্মকর্তা ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়ে ফিলিং স্টেশনে তদারকি, নন্দীগ্রামে যুবক গ্রেপ্তার শিমুলবাড়ীয়ায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় দুইজনকে কু*পি*য়ে জ*খ*ম দেবহাটায় Basic Learner Exploration Exam 2026 অনুষ্ঠিত রাতভর পি*টি*য়ে সকালে উপড়ে ফে*লা হলো দুই চোখ না.গঞ্জে সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

এতিমের সম্পদ আ ত্ম সাৎ করতে ফিংড়ী ইউনিয়নকে দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ আখ্যায়িত: এলাকায় তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিনিধি / ২০১ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

চেয়ারম্যানের সিল সহি জাল করে জাল ওয়ারেশ কায়েম সনদ তৈরির কারিগর কুখ্যাত ভূমিদস্যু ও এতিমের সম্পদ আত্মসাৎকারী এস এম নাসিরউদ্দিন লিটনের বিরুদ্ধে তার মুখোশ উন্মোচন করতে ভিডিও বক্তব্য দেওয়ায় সাংবাদিককে বাদ দিয়ে এবার ফিংড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার শুরু করার অভিযোগ উঠেছে। একটি ভিডিও বক্তব্যে ফিংড়ীর চেয়ারম্যানকে ফাঁসাতে গিয়ে তিনি ২য় গোপালগঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করে পুলিশ প্রশাসনকেও বিপাকে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমান জানান- গত ০২/০২/২৫ তারিখে ফয়জুল্যাপুর গ্রামের মৃত এস এম আশরাফউদ্দিনের পুত্র প্রয়াত কোটিপতি ঠিকাদার এম এ কে হেলাল উদ্দিনের সমূদয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি তার বিধবা স্ত্রী সাহিদা আনসারী রুমি এবং এতিম শিশু কন্যা হুমায়রা আফিয়া রুহিকে না দিয়ে আত্মসাৎ করার জন্য আমার সিল সহি জাল করে একটি জাল ওয়ারেশ কায়েম সনদ তৈরি করে। জাল ওয়ারেশ কায়েম সনদ তৈরি করে এস এম নাসিরউদ্দিন লিটন ফিংড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দাখিল করে তার পিতার সমুদয় সম্পত্তি তার নামে নামপত্তন করতে গিয়ে ধরা পড়ে।

 

এঘটনায় গত ৭ এপ্রিল ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমান সাংবাদিকদের নিকট একটি ভিডিও বক্তব্য প্রদান করেন যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

 

উক্ত ভিডিও বক্তব্য প্রদানের পর থেকে কুখ্যাত ভূমিদস্য এতিমের সম্পদ আত্মসাত কারী এসএম নাসির উদ্দিন লিটন এবার সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধেও নানান ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে নাসিরুদ্দিন লিটন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমানসহ একাধিক মেম্বারদের বিরুদ্ধে সরকার উৎখাতের কথিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে মনগড়া চরম মিথ্যা অপপ্রচার করছে।

 

এতিমের সম্পদ আত্মসাৎকারী লিটনের অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বললেই বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করবে।অতিসম্প্রতি লিটনের বাড়িতে নিয়মিত গভীর রাত পর্যন্ত বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে।

 

একাধিক গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এতিমের সম্পদ আত্মসাৎকারী, কুখ্যাত ভূমিদস্যু নাসিরুদ্দিন লিটনের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও চরম মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে তার কন্ঠ চেপে ধরার পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির চেষ্টা করবে। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তার উপর অত্যাচারের খড়গ নেমে আসছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আনাগোনা ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। যেকোন সময় এসব অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্বারা গুমখুনসহ বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে।

 

এর আগে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার ঘটনায় বিডিএফ প্রেসক্লাবের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধেও নানান ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সে আরও বেপরোয়া ভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে হন্যে হয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তার বিরুদ্ধে চরম মিথ্যা অপপ্রচার করছে।

 

এদিকে ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ, আবদুল কাদের মোল্লাসহ একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানান- সম্পদ আর সম্পত্তির মোহে মানুষ থেকে অমানুষ হওয়া এতিমের সম্পদ আত্মসাৎকারী নাসিরুদ্দিন লিটন সম্প্রতি স্বপ্নের মাধ্যমে জানতে পারেন তার দাদার আমলে তৈরি দ্বিতল ভবনের নিচে গুপ্তধন আছে। গুপ্তধনের আশায় সে ওই বিল্ডিংটি ভেঙে মাটির নিচে খুঁড়ে গুপ্তধনের সন্ধান করতে থাকে। কিন্তু গুপ্তধন না পাওয়ায় সে কালীর সাধনা করতে থাকে।

 

এরপর তিনি আবারও স্বপ্নের মাধ্যমে জানতে পারেন – গুপ্তধন পেতে হলে তাকে মা মনসার কৃপা প্রার্থনায় মনসা পূজা করতে হবে। তারপর জনৈক রশিদের মাধ্যমে তিনি মনসা পূজা সম্পন্ন করে। কিন্তু এরপরও সেই কাংখিত গুপ্তধন না পাওয়ার বেদনায় তার মতিভ্রম হয়েছে। সেকারণে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে। সাংবাদিক থেকে শুরু করে মেম্বার, চেয়ারম্যান জনপ্রতিনিধি ও গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কাউকে সে ছাড় দিতে নারাজ।

 

এবার সে পুলিশ প্রশাসনকে বিপাকে ফেলতে ফিংড়ী ইউনিয়নকে ২য় গোপালগঞ্জ আখ্যায়িত করে ১ মিনিট ৫৬সেকেন্ডের একটি ভিডিও বক্তব্য দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তার কথামতো নিরীহ মানুষদের আটক না করায় সে পুলিশের প্রশাসনকে চ্যালেন্জ করে ভিডিও বক্তব্য দিয়ে মিথ্যাচার শুরু করায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

 

এছাড়া এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করতে সে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র অব্যহত রেখেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। সচেতন এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসা এতিমের সম্পদ আত্মসাৎকারী ভূমিদস্যু নাসিরুদ্দিন লিটনের খুঁটির জোর কোথায়?


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com